বিমান বন্দরে ভিআইপিদের তল্লাশি করতে গিয়ে বিব্রত নিরাপত্তা সংস্থা

আমাদের নতুন সময় : 14/05/2019

ইসমাঈল ইমু : দেশের সব বিমান বন্দরে নিরাপত্তা জোরদার করা হলেও কতিপয় ভিআইপিদের আচরনে বিব্রত অবস্থায় পড়ছে বিমান বন্দরের নিরাপত্তা সংস্থা।

জানা গেছে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি উড়োজাহাজ গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ছিনতাইচেষ্টা হলে নতুন করে প্রশ্ন উঠে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে। ওই  ঘটনার পর দেশের সব বিমানবন্দরে  নিরাপত্তা তল্লাশি জোরদার করা হয়। এরপর গত ৫ মার্চ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ টার্মিনালে প্রবেশের সময় চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনের পিস্তল আর গুলি বহনের বিষয়টি ঘোষণা না করা এবং প্রবেশমুখে নিরাপত্তা তল্লাশিতেও অস্ত্র-গুলি ধরা না পড়ায় প্রশ্নবিদ্ধ হয় বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

প্রসঙ্গত, অস্ত্রসহ বিমানে ভ্রমণের ক্ষেত্রে যাত্রীকে বিমানবন্দরে প্রবেশের সময়েই ঘোষণা দিতে হয়। একইসঙ্গে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করে এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ অস্ত্র পরিবহন করে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে প্রভাবশালীরা অস্ত্র বা গুলি বা এরকম কিছু নিয়ে বিমানবন্দরে প্রবেশ করলেও প্রবেশ মুখে এ বিষয়ে ঘোষণা দিতে চান না।

অবশ্য, বিশ্বজুড়ে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় এই দুটি ঘটনার পর সাম্প্রতিক সময়ে ক্ষমতাসীন দলের বেশ কয়েকজন নেতাকে ঘোষণা ছাড়া অস্ত্র নিয়ে বিমানবন্দরে প্রবেশ করায় মামলা দিয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। গত ৩ এপ্রিল রাজশাহী বিমানবন্দরে নিরাপত্তা তল্লাশি এড়িয়ে বিমানে উঠে গিয়েছিলেন রাজশাহী মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার উপকমিশনার (ডিসি) আবু আহাম্মদ আল মামুন।

এ নিয়ে বিমানবন্দরের নিরাপত্তাকর্মীরা আপত্তি তুললে পুলিশের লোকজন বিমানবন্দরের নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে বাক বিতন্ডা শুরু করেন, যা হাতাহাতি পর্যন্ত গড়ায়। আপত্তি তোলার অপরাধে সিটি এসবি’র কনস্টেবল জালাল উদ্দিন বিমানবন্দরের নিরাপত্তাকর্মীদের গায়ে হাত তোলেন। পরবর্তীতে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা তল্লাশি ছাড়া বিমান ছাড়ার অনুমতি না দেওয়ায় ডিসি মামুন বাধ্য হয়ে বিমান থেকে নেমে নিয়মানুযায়ী তল্লাশি সম্পন্ন করেন।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী সাংবাদিকদের বলেন, সারা বিশ্বেই সিকিউরিটি থ্রেট রয়েছে। আমি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভ্রমণ করিছি, ১৫/২০ বার বিদেশে বিভিন্ন বিমানবন্দরে আমাকে নিরাপত্তা কর্মীদের তল্লাশির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। জুতা-বেল্ট খুলে তারা তল্লাশি করেছে। একবার আমার সঙ্গে উচ্চ পদস্থ এক সেনা কর্মকর্তা ছিলেন, তাকেও নিরাপত্তা কর্মীদের কঠোর তল্লাশির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। সিকিউরিটির বিষয়টি সবাইকে বিবেচনায় আনতে হবে। সম্পাদনা : আহমেদ শাহেদ।

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]