• প্রচ্ছদ » গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ » সচেতনতার অভাবে বাড়ছে বাসাবাড়ির অগ্নিদুর্ঘটনা, বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থার দাবি বাংলাদেশে বছরে অগ্নিদুর্ঘটনার শিকার ১ লাখ ৭৩ হাজার শিশু


সচেতনতার অভাবে বাড়ছে বাসাবাড়ির অগ্নিদুর্ঘটনা, বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থার দাবি বাংলাদেশে বছরে অগ্নিদুর্ঘটনার শিকার ১ লাখ ৭৩ হাজার শিশু

আমাদের নতুন সময় : 14/05/2019

তাপসী রাবেয়া : বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা বলছে বছরে ১,৮০,০০০ মানুষ আগুনে দগ্ধ হয়ে মারা যায়। যার দুই তৃতীয়াংশই আফ্রিকা ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ঘটছে। আর বাংলাদেশে বছরে ১,৭৩,০০০ জন শিশু অগ্নিদগ্ধ হয়। ২০১৮ সালে এসব তথ্য প্রকাশ করে সংস্থাটি। বাসাবাড়িতে গরম পানি, চা, কফি, স্যুপ, ইস্ত্রি, রান্না ডাল, চুলার আগুন, কাপড়ে আগুন, ছাদে ঝুলে থাকা বিদ্যুত্যের তারে এসব আগুনের ঘটনা ঘটছে। সংস্থাটি বলছে বাংলাদেশে ১৭ শতাংশ অগ্নিদগ্ধ শিশু সাময়িক অক্ষম হয়ে পড়ে আর ১৮ শতাংশ শিশু সারাজীবনের জন্য অক্ষম হয়। এই অবস্থার পরিবর্তনে শিশুদের প্রতি সচেতন হওয়ার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।

লক্ষীপুরের নওশিন বয়স ৬ বছর, রান্নাঘরের চুলা থেকে আগুন লেগে অগ্নিদগ্ধ হয় এবছর ফেব্রুয়ারি। এরপর থেকেই আছে ঢাকায়। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতল এখন নওশিনের বাবা মার ঘড়বাড়ি। তার শরীরের ৬০ শতাংশই পুড়ে গেছে।

৫ বছরের তাবিব ফুটানো গরম পানিতে পুড়ে এখন ঢাকা মেডিক্যালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি। শরীরের ৮০ শতাংশই পুরে গেছে তার।

কুমিল্লার ৫ বছরের শিশু অর্ণব ছাদে খেলতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃস্ট হয়। ঢাকা মেডিক্যালসহ সারাদেশেই এমন অসংখ্য শিশু চিকিৎসা নিচ্ছে অগ্নিদগ্ধ হয়ে।

বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থ্যা বলছে বাংলাদেশ এবং ইথিওপিয়ায় ৮০-৯০ ভাগ আগুনে পোড়ার ঘটনা নিজ বাড়িতে ঘটে। শিশুরা নিজ বাড়িতেই সবচেয়ে বেশি অগ্নিদুর্ঘটনার শিকার হয়। বিশ্বে শিশুমৃত্যুর পঞ্চম কারণ হচ্ছে অগ্নিদুর্ঘটনা।

 

বাংলাদেশ ফায়াস সার্ভিস ও সিফিল ডিফেন্সের পরিচালক শাকিল নেওয়াজ বলেন, বাসাবাড়িতে নিন্মমানের বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহারে অগ্নিকা-ের ঝুঁকি তৈরী হয়েছে। আর এসব আগুনের সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকে শিশু ও নারীরা।

 

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার সুব্রত সরকার বলেন, শহরে বা গ্রামে বাড়ি নির্মাণে অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা অনুসরণ করতে চায় না। বাড়ি নির্মাণের সময় সিটি করপোরেশনের নিয়ম মেনে ফায়ার এক্সিট ও রাখত চান না মালিকরা। আর এসব কারণেই বাড়ছে ঝুঁকি। সম্পাদনা : ওমর ফারুক

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]