আদালত স্থানান্তরে ক্ষুব্ধ বিএনপির প্রশ্ন, কোর্ট যদি জেলে জেলে ঘুরে বেড়ায় তাহলে থাকলোটা কি?

আমাদের নতুন সময় : 15/05/2019

শাহানুজ্জামান টিটু : আলোচনায় যখন আদালত স্থানান্তর, তখন খালেদা জিয়ার বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। রোববার সরকারের আইন মন্ত্রাণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে, খালেদা জিয়ার দূর্নীতির মামলাসহ ১২টি মামলার বিচার কাজ চলবে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দুই নম্বর ভবনে। এ নির্দেশনায় ক্ষুব্ধ বিএনপি ও তার আইনজীবীরা। তারা বলেন, খালেদা জিয়ার মামলা মুক্তি বিলন্বিত করতেই কারাগার ও আদালত স্থানান্তরের কৌশল নিয়েছে সরকার। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে স্বৈরতন্ত্র কিভাবে কায়েম করা হয়েছে এটাই তার নমুনা।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ বলেন, আদালত স্থানান্তরে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে খালেদা জিয়ার ন্যায় বিচার। কোর্ট কোটে থাকবে। এটাই তো হওয়া উচিত। কোর্ট যদি জেলে জেলে ঘুরে বেড়ায় তাহলে কি আর থাকলো। এতে কি সম্মান থাকে? এরপরে ন্যায় বিচারের প্রত্যাশা আর কতটুকু থাকে।

দলের ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম বলেন, ম্যাডামের যত মামলা তা সবই রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা। প্রতিটি মামলায় তার জামিন প্রাপ্য। তার বিচার যদি করতেই হয় তাকে জামিন দিয়ে তারপর তার বিচার চলুক। মামলার দিনে দিনে উপস্থিত হবেন। তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর গণতান্ত্রিক কোনো সরকারের সময়ে কারাগারে ভেতরে আদালত বসিয়ে বিচার করার নজীর এটাই প্রথম। কারণ কোনো গণতান্ত্রিক সরকার এটা করতে পারে না।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, সারা দেশে বিচার ব্যবস্থা এক রকম চলছে। আর বেগম খালেদা জিয়ার জন্য বিচার ব্যবস্থা আরেক রকম চলছে। অন্যরা জামিন পেয়ে যান কিন্তু খালেদা জিয়া জামিন পান না। জামিন পেয়েও তার মুক্তি হয় নাই। তিনি ন্যায় বিচার পাচ্ছেন না। কেরানীগঞ্জে কারাগার ও আদালত স্থানান্তরের আরেকটি কারণ তাকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যেই সরকার এটা করছে। সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]