• প্রচ্ছদ » গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ » যেনতেন কায়দায় বিচার করে খালেদা জিয়াকে সাজা দিতে চাচ্ছে সরকার, গ্যাাটকো দুর্নীতি মামলার শুনানি শেষে, বললেন আইনজীবি মাসুদ তালুকদার


যেনতেন কায়দায় বিচার করে খালেদা জিয়াকে সাজা দিতে চাচ্ছে সরকার, গ্যাাটকো দুর্নীতি মামলার শুনানি শেষে, বললেন আইনজীবি মাসুদ তালুকদার

আমাদের নতুন সময় : 15/05/2019

মামুন আহম্মেদ খান : পাবলিক ট্রায়্যালের নিয়ম হলো সাধারণের প্রবেশ অবারিত থাকবে। সরকার চাচ্ছে যেনতেন কায়দায় একটা নিয়ন্ত্রিত বিচার করে খালেদা জিয়াকে সাজা দিতে। এর পেছনে অনেক রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আছে। আর সরকার একের পর একটা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে । গতকাল মঙ্গলবার কেরানীগঞ্জের কারাভবনে নবনির্মিত ২ নম্বর ভবনে স্থাপিত অস্থায়ী ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ এর বিচারক আবু সৈয়দ দিলজার হোসেনের আদালতে গ্যাাটকো দুর্নীতি মামলার শুনানি শেষে সাংবাদিকদের একথা খালেদা জিয়ার আইনজীবী মাসুদ আহম্মেদ তালুকদার।

এদিন মামলাটি চার্জশুনানির জন্য ছিল। খালেদা জিয়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন থাকায় কারাকর্তৃপক্ষ তাকে আদালতে হাজির হয়নি। এজন্য খালেদা জিয়ার পক্ষে তার আইনজীবীরা সময় আবেদন করেন। অপরদিকে দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল খালেদা জিয়া বাদে অপর আসামিদের চার্র্জশুনানির জন্য বলেন। খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা এ বিরোধিতা করেন।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ১৮ জুন চার্জশুনানির পরবর্তী তারিখ ধার্য করেন।

আদালতে কার্যক্রম শেষে মাসুদ তালুকদার বলেন, নিরাপত্তা বিঘেœর কথা বলে খালেদা জিয়াকে সব সময় সাধারণভাবে সাধারণ মানুষের বিচার যেভাবে হওয়ার কথা সেই বিচার থেকে তাকে পাশ কাটিয়ে একটা আলাদা জায়গায় আইস্যুলেশনে নিয়ে যায়। ক্যামেরা ট্রায়্যাল যাকে বলে নিয়ন্ত্রিত আদালতে খালেদা জিয়ার বিচার বারবারই সরকার করে যাচ্ছে। যেদিন খালেদা জিয়াকে আদালতে আনা হবে সেদিন সাংবাদিকদেরও দূরে রাখার শঙ্কা করেন তিনি। খালেদা জিয়ার পেছনে পেছনে আদালত ঘোরে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, আইনে বিধান আছে যে কোন জায়গায় আদালত নির্মাণ করা যায়। এখানে কারাগার স্থাপন আইন বর্হিভূত নয়। আইন বর্হিভূত যদি হতো তাহলে তো তারা (খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা) এর আগে পরিত্যক্ত জেলখানার আদালতে গেছেন।

আদালতের পরিবেশ নিয়ে দুদক প্রসিকিউটর বলেন, আমরা নতুন পরিবেশে এসেছি। আদালতের পরিবেশ অত্যন্ত ভাল। এসিসহ অত্যাধুনিক ব্যবস্থা আছে। পূর্বে আদালতের পরিবেশ নিয়ে যে অভিযোগ ছিল এখন আর অপর পক্ষ একথা বলবেন না। আদালতের বর্তমান পরিবেশ অত্যন্ত মনোরম। মামলার কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবো।

খালেদা জিয়াকে কবে এ আদালতে আনা হবে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, খালেদা জিয়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন আছেন। আমরা আশা করছি আগামী ১৬ মে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলার শুনানিতে আমরা তাকে পাব। উনি সুস্থ আছেন, চিকিৎসা চলমান। চিকিৎসা চলমান থাকায় তাকে হয়তো নিয়ে এসে বিচারে অংশগ্রহণ করতে পারবো। সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]