কথাটা ঠিক না বেঠিক?

আমাদের নতুন সময় : 16/05/2019

মোস্তফা ফিরোজ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিনে দিনে অদ্ভুত একটি প্রতিষ্ঠানে রূপ নিচ্ছে। একসময়ে এখানেই সবাই নির্ভয়ে বাদ-প্রতিবাদ করতে পারতো। আমরা যখন এরশাদবিরোধী আন্দোলন করতাম তখন বাইরে থেকে ক্যাম্পাসে এসে পুলিশ বা এরশাদ সমর্থকদের হামলার ভয় পেতাম। কিন্তু ক্যাম্পাসের কোনো অপশক্তি নিয়ে চিন্তিত থাকতে হতো না। এই কারণে তখন গণতান্ত্রিক প্রগতিশীল সমাজতান্ত্রিক চিন্তা চেতনার নানা সংগঠনের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক অবাধ বিস্তার ঘটেছিলো। তারা নিয়মিত গ্রæপ বৈঠক করতো কলাভবন ও টিএসসি চত্বরের আশপাশে। এজন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে বলা হলো গণতন্ত্র পাদপীঠ। এখন উল্টো। বলা যায়, সন্ত্রাসের চারণভ‚মি। এখানে সামাজিক-রাজনৈতিক যেকোনো বিষয়ে প্রতিবাদ বিক্ষোভের ঘটনা ঘটলেই তার উপরে হামলা অনিবার্য। কোটা আন্দোলন ছিলো জনপ্রিয় সামাজিক আন্দোলন। সবারই মনে আছে, এই আন্দোলনের উপরে দফায় দফায় কীভাবে হামলার ঘটনা ঘটেছে। বর্তমান ডাকসুর ভিপি নূর ও তার সঙ্গীরা তার জ্বলন্ত উদাহরণ ও সাক্ষী। এমনকি ডাকসুর ভিপি পদে জয়ী হয়েও রেহাই পাননি তিনি। এখন একই সংগঠনের পদবঞ্চিতরাও প্রতিবাদ করতে গিয়ে হামলার শিকার হচ্ছেন। প্রশ্ন হচ্ছে, প্রতিবাদ কি গণতান্ত্রিক অধিকার নয়?
নির্বাচিত মন্তব্য : এস আর সাইফুলÑপ্রতিবাদ গণতান্ত্রিক অধিকার কিন্তু আপনি সেই গণতন্ত্রটা পাবেন কোথায়? দেশে বর্তমানে গণতন্ত্র নেই, আর যদি গণতন্ত্র থাকতো দেশে আইনের সুশাসন থাকতো। দেশে গণতন্ত্র নেই বলে আজ দেশের সব সেক্টর হারিয়ে যাচ্ছে। হারিয়ে যাচ্ছে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোও। ধন্যবাদ আপনকে সুন্দর লেখার জন্য।
২. ইউসুফ পাটোয়ারী লিংকনÑ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে ভাষা আন্দোলন, শিক্ষার অধিকার, বাঙালির স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠা, গণঅভ্যুত্থান, স্বাধীনতা ও স্বাধিকার আন্দোলন সব ক্ষেত্রে অগ্রণী ভ‚মিকা রেখেছে, কিন্তু বর্তমান ছাত্রলীগে দেখতে পাচ্ছি সম্পূর্ণ অশ্লীল আর অশ্লীল। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]