মনজুরুল আহসান খান  মনে করেন, কৃষকের ধানের ন্যায্যমূল্য পাওয়ার জন্য আন্দোলন করতে হবে

আমাদের নতুন সময় : 16/05/2019

জুয়েল খান : সরকারের ন্যায্যমূলে ধান কেনার কথা থাকলেও বিভিন্ন জটিলতার কারণে সেই ধান সরকার কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি কিনতে পারে না। এই ধান কেনার সুযোগ নেয় একশ্রেণির মধ্যস্বত্বভোগী। আর এই মধ্যস্বত্বভোগীদের দৈরাত্ম্যের কারণে দিন দিন কৃষক তাদের উৎপাদিত পণ্যের প্রকৃত দাম পাচ্ছে না। এভাবে চলতে থাকলে কৃষকের অবস্থা খারাপ হবে আর কৃষকের অবস্থা খারাপ হলে দেশের অবস্থা খারাপ হবে, বলে মনে করেন সিপিবির উপদেষ্টাম-লীর সদস্য মনজুরুল আহসান খান।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের কৃষকের মুখে হাসি না থাকলে দেশের কৃষি এবং খাদ্য উৎপাদন কমে যাবে। একজন কৃষক সারাবছর ধরে কষ্ট করে ধান উৎপদন করে। উৎপাদনের সময় বিভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জ থাকে। যেমন : ফসল উৎপাদন কম হওয়া, পোকামাকড়, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ইত্যাদি। এতোগুলো প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে উঠে যখন উৎপাদন ভালো হয় তখন কৃষক স্বস্তির নিঃশ^াস নেয়। কিন্তু আমাদরে দেশে বর্তমানে কৃষকদের এখন সেই অবকাশ নেই। কারণ সংগ্রাম করে ফসল উৎপাদন করার পরে শুরু হয় আবার নতুন সংগ্রাম, সেটা হচ্ছে ফসলের ন্যায্যমূল্য পাওয়ার সংগ্রাম। কৃষকের বেঁচে থাকার সংগ্রাম। যখন একমণ ধানের উৎপাদন খরচ হয় সাতশো থেকে আটশো টাকা তখন সেই ধান বিক্রি করতে হচ্ছে পাঁচশো টাকায়। মণপ্রতি তিনশো টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে। এভাবে যদি কৃষকের লোকসান হতে থাকে তাহলে একটা সময় আসবে যখন মানুষ কৃষি কাজ ছেড়ে দেবে। তাই যেভাবেই হোক কৃষিপণ্যের দাম বাড়াতে হবে। বাংলাদেশ হচ্ছে কৃষিনির্ভর দেশ। সেই দেশে যদি কৃষক তাদের পণ্যের ন্যায্যমূল্য না পায় তাহলে হতাশা ছাড়া আর কি।

 

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]