রাজউককে তদবিরমুক্ত, জনগণের সম্পৃক্ততাসহ ১২ সুপারিশ বহুতল সাড়ে ১৮শ’ ভবনের ৭০ ভাগই নিয়ম বহির্ভুত

আমাদের নতুন সময় : 16/05/2019

সুজিৎ নন্দী : রাজধানীর সাড়ে ১৮শ’ ভবনের ৭০ ভাগই নিয়ম বহির্ভুতভাবে তৈরি করা হয়েছে। এই ভবনগুলো ১০তলার ওপরে তৈরি। এসব ভবনের বেশিরভাগেরই অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থাসহ বিধিমালা না মানা ঘাটতিসহ নানা ত্রুটি রয়েছে। গত একমাসে (এপ্রিল) উচ্চতর ভবনের তথ্য সংগ্রহ করেছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। ৮টি জোনে ২৪টি টিম ভবনগুলোর প্রকৃত অবস্থা জানতে গত ১ এপ্রিল থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত সমস্যা খুঁজে বের করেছে।

প্রাথমিক অবস্থায় এই টিম কর্মকর্তারা জানান, রাজউকের কর্মকান্ডের সঙ্গে জনগনকে সম্পৃক্ত করা, মূল অপরাধীর শাস্তি কার্যকর, রাজউককে তদবিরমুক্ত রাখাসহ প্রায় একডজন সুপারিশ করা হয়েছে। তদন্তে আবাসিক কাম বাণিজ্যিক ভবনগুলোর বেশির ভাগ ভবনই বাণিজ্যিক হয়ে গেছে। এতে আবাসিক এলাকার পরিবেশ নষ্ট হয়েছে।

রাজউকের চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান বলেন, ভবন সম্পর্কে যে তথ্য জানা প্রয়োজন তা সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রকৃত চিত্র গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়া হয়েছে। তবে যারা অবৈধ ভাবে ভবন নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

যে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে ভবনের মূল মালিক এবং নির্মাণকারী উদ্যোক্তা বা ডেভেলপার কোম্পানির বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। রাজউক অনুমোদিত নকশা আছে কিনা তা দেখতে থাকলে নকশা অনুমোদন ও ভবন নির্মাণের সাল, নকশা প্রণয়নকারী স্থপতি এবং প্রকৌশলীর নাম ও রেজিস্ট্রেশন নম্বরের বিষয়ে তথ্য জোগাড় করতে হবে, ভবন নকশা অনুযায়ী নির্মিত হয়েছে কিনা, নকশা অনুযায়ী কার পার্কিং ও সেট ব্যাক সঠিক আছে কিনা এবং ব্যত্যয় হলে কী পরিমাণ ব্যত্যয় হয়েছে সেটার তালিকা তৈরি করা।

রাজউকের পরিচালক খন্দকার অলিউর রহমান বলেন, যে ভবনগুলোর ত্রুটি পাওয়া গেছে তার প্রকৃত চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। বেশির ভাগ ভবনেরই বিচ্যুতি পাওয়া গেছে। তালিকা প্রণয়নে এসব নির্দেশনা অনুসরণ করা হয়েছে।

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) নথি বিভাগ থেকে জানা যায়, ২০১৬ সালে করা জরিপ অনুযায়ী রাজউক আওতাধীন এলাকায় ২২ লাখের বেশি ইমারত রয়েছে। এরমধ্যে ৮৪ শতাংশ ভবন একতলা। আর ১০তলার অধিক তিন হাজার ২৭৩টি বহুতল ভবন রয়েছে। ২০১৬ সালের পর গত তিন বছরে এই সংখ্যা আরও বেড়েছে। সব মিলিয়ে বহুতল ভবনের সংখ্যা সাড়ে তিন হাজার ছাড়িয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কিন্তু এসব ভবনের মাত্র সাড়ে ১৮’শ ভবনের তথ্য সংগ্রহ করতে পেরেছে রাজউক। সম্পাদনা : আবদুল অদুদ

 

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]