১৪৭ বছর পর ‘লেখ্য প্রমাণ (রেকর্ড) বিনষ্টীকরণ আইনন বাংলাতে হচ্ছে

আমাদের নতুন সময় : 16/05/2019

দেবদুলাল মুন্না : অবশেষে ‘লেখ্যপ্রমাণ(রেকর্ড) বিনষ্টীকরণ আইন বাংলায় হচ্ছে। ১৮৭২ সালে তৈরি হওয়া ‘দ্য ডেস্ট্রাকশন অব রেকর্ডস অ্যাক্ট’ আইনের বয়স এ বছর ১৪৭ বছর পূর্ণ হচ্ছে। ভূমি মন্ত্রণালয় এ আইন বাংলায় অনুবাদের উদ্যোগ নিয়েছে। ইতোমধ্যে খসড়া আইন প্রণয়ন করেছে মন্ত্রণালয়।

খসড়া এ আইন নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে বৈঠকও হয়েছে। মতামত নেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও অংশীজনদের। ব্রিটিশ আমলে তৈরি হওয়া এ আইনের বিভিন্ন ধারা-উপধারা পাকিস্তান আমলে সংশোধন করা হয়। স্বাধীনতার পর ইংরেজিতেই চলে আসছে আইনটি। ২০১৮ সালে ইংরেজি থেকে বাংলায় অনুবাদ করার উদ্যোগ নেয় সরকার। ভূমি মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে খসড়া প্রণয়ন করে।

সংশোধিত ও বাংলা ভাষাতে অনুবাদকৃত এই আইনের বাইরে থাকবে উচ্চ আদালতের দলিল দস্তাবেজগুলো। সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগে এবং অধস্তন দেওয়ানি আদালত অধবা ফৌজদারি আদালতের লেখ্যপ্রমাণের মধ্যে রক্ষিত সরকারের অন্য দফতরের লেখ্য প্রমাণগুলো সংরক্ষণ সাপেক্ষ নিজ বিবেচনা অনুযায়ী বিধি প্রণয়ন করতে পারবে।

খসড়া আইনে উল্লেখ করা হয়েছে, যেহেতু আদালতসমূহ, রাজম্ব, ভূমি প্রশাসন, নিবন্ধন ও অন্যান্য সরকারি কর্মকতাদের তত্ত্বাবধানে থাকা বহু বছরের পুরনো নির্দিষ্ট দলিলগুলো বিনষ্ট বা অন্যভাবে নিষ্পত্তির প্রয়োজন হলে আইন সংশোধন প্রয়োজন। এসব বিষয় মাথায় রেখে এ আইন বাংলায় অনুবাদের পাশাপাশি সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মূল আইনে ডিজিটাল পদ্ধতির রেকর্ড না থাকলেও বাংলায় অনুবাদ ও সংশোধিত খসড়াতে ডিজিটাল পদ্ধতির রেকর্ডপত্র সংযুক্ত করা হচ্ছে।

এ আইনের লেখ্য প্রমাণগুলো উপযুক্ত যে কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে হেফাজতে থাকুক না কেন বিনষ্টীকরণ রোধ করতে সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ বিধি প্রণয়ন করে তা রক্ষা করতে পারবে।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]