• প্রচ্ছদ » » রাজীব গান্ধী হত্যার ষড়যন্ত্রকারীদের মধ্যে একমাত্র ধৃত, জীবিত আসামি নলিনী এবং প্রিয়াঙ্কার চোখে অশ্রæধারা


রাজীব গান্ধী হত্যার ষড়যন্ত্রকারীদের মধ্যে একমাত্র ধৃত, জীবিত আসামি নলিনী এবং প্রিয়াঙ্কার চোখে অশ্রæধারা

আমাদের নতুন সময় : 17/05/2019

১৮ অক্টোবর ২০০৮ সালে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী নলিনীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। নলিনী, রাজীব গান্ধী হত্যার ষড়যন্ত্রকারীদের মধ্যে একমাত্র ধৃত এবং জীবিত আসামি। নলিনী তখন গর্ভবতী ছিলেন। সোনিয়া গান্ধী লিখিত আকারে নলিনীর ফাঁসির বদলে যাবজ্জীবন কারাদÐের আবেদন জানান। যাতে নলিনীর সন্তান মায়ের স্নেহ মমতা থেকে বঞ্চিত হয়ে না পড়ে। নলিনী স্বপ্নেও ভাবেননি ১৭ বছর পর তার সঙ্গে রাজীব গান্ধীর পরিবারের কেউ সাক্ষাৎ করতে পারেন। তার খোঁজ-খবর নিতে পারেন।
প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে দেখে নলিনী অবাক, ভীষণ লজ্জিতবোধ করলেন। প্রিয়াঙ্কা নলিনীকে বুকে জড়িয়ে ধরে বললেন, ‘আমার পিতা একজন ভালো মানুষ ছিলেন। ভীষণ শান্ত প্রকৃতির মানুষ। আমার পিতা তোমার তো কোনো রকম ক্ষতি করেননি। তাহলে তাকে কেন হত্যা করতে গিয়েছিলে? তোমাদের কি এমন সমস্যা ছিলো, যেটা আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা যেতো না?’ প্রিয়াঙ্কার চোখে অশ্রæধারা, নলিনীও অঝোর নয়নে কেঁদে চলেছেন। এই কান্নার দ্বারা বহু ক্ষোভ, বহু হিংসা ¯্রােতের মতো প্রবাহিত হয়ে চলে গেলো। দু’জনের মনটা হালকা এবং কোমল হয়ে উঠলো। গান্ধী পরিবার সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, নলিনীকে মুক্ত করে দিলেও তাদের কোনো আপত্তি নেই। বিষয়টা তখন আদালতে বিচারাধীন। আদালত এবং রাজ্য সরকার যে সিদ্ধান্ত নেবে সেটাই কার্যকর হবে। হিংসা, বিদ্বেষ, ঘৃণা এগুলোর স্থায়িত্ব ক্ষণিকের। কিন্তু প্রেম, প্রীতি, ভালোবাসা আদি থেকে অনন্তকাল পর্যন্ত মানুষের হৃদয়ে গেঁথে থাকে। ক্ষমা হলো পৃথিবীর সর্বোত্তম উপহার। কেবলমাত্র মহান মানুষরাই পারেন শত্রæকে ক্ষমা করে দিতে। এমন বহু ঘটনা ঘটে গেছে পৃথিবীতে, যে ঘটনা ইতিহাসের পাতায় সোনার অক্ষরে লেখা থাকবে। আমরা সকলেই চলে যাবো, ক্ষণজন্মা সেসব মহান মানুষেরা ইতিহাসে আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের হৃদয়ে অমর হয়ে থেকে যাবেন যুগ যুগ ধরে। সংগৃহীত




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]