বঙ্গবন্ধু থেকে শেখ হাসিনা

আমাদের নতুন সময় : 19/05/2019

দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর

হাসান বিন বাংলা

প্রথমেই বলে রাখা ভালো যে, বঙ্গবন্ধুর তুলনা বঙ্গবন্ধু নিজে। রাজনীতির চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে শেখ হাসিনা যেভাবে পাকিস্তানি প্রেতাত্মাদের কবল থেকে দেশটাকে পুনরুদ্ধারের মিশনে নেমেছেন তা এককথায় অবিশ্বাস্য পাশাপাশি অভ‚তপূর্ব। শেখ হাসিনার যে বিষয়টি ভবিষ্যৎ মূল্যায়ন করবে তাহলো তিনি তার পিতার ভাবমূর্তিকে দিনকে দিন বৃদ্ধি করেছেন।
৭৫ পরবর্তীতে মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ যেন হারিয়ে গিয়েছিলো চাঁদ -তারার পতাকাতলে। দেশের জনগণ ভুলতে বসেছিলো ত্রিশ লাখ শহীদের আত্মত্যাগ। ভুলতে বসেছিলো, লাখ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রম হারানোর ইতিহাস। হারিয়ে গিয়েছিলো মুক্তিযুদ্ধের ¯েøাগান ‘জয় বাংলা’। সরকারি গাড়িতে স্বাধীনতাবিরোধী রাজাকারদের লাল-সবুজের জাতীয় পতাকা। স্বাধীন বাংলাদেশে রাজাকার শাহ আজিজ হয় প্রধানমন্ত্রী! খান এ সবুর হয় মন্ত্রী! রাজাকার আবদুল আলীম হয় মন্ত্রী! প্রশাসনের উপর থেকে নিচ পর্যন্ত স্বাধীনতার পরাজিত শক্তির সদম্ভ পদচারণ! এই মহোৎসব চলে ১৯৯৬ পর্যন্ত। তবে ১৭ মে ১৯৮১তে যখন বঙ্গবন্ধুকন্যা স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন তখন থেকেই শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশকে তার গতিপথে ফিরিয়ে আনার সংগ্রাম। সে কি ভয়াবহতা। সে কি নির্মমতা। ভাবলেই গায়ের পশম দাঁড়িয়ে যায়। পিতৃ-মাতৃহীন শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা তার পৈত্রিক ভিটায় বসে একটু সঙ্গোপনে কাঁদবেন, তারও উপায় ছিলো না। স্বৈরশাসক, খুনি জিয়ার নির্দেশে সেদিন শেখ হাসিনাকে ৩২ নম্বরের বাড়িতে ঢুকতে দেয়া হয়নি। ৩২ নম্বরের বাড়ির সামনের রাস্তায় বসে শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা পিতা-মাতা, ভাইদের জন্য কোরআন তেলাওয়াত করতেন।
দীর্ঘ সংগ্রাম শেষে বঙ্গবন্ধুকন্যা আজকের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসেন। মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকারের দুর্বলতায় জননেত্রী শেখ হাসিনা সেদিন অনেক কিছুরই সমাপ্তি রেখা টানতে পারেননি, কিন্তু শুরুটা করে গিয়েছিলেন। তিনি ওয়াদা করেছিলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার করবেন এবং প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বভার নিয়ে বিচার শুরু করেন। তিনি বলেছিলেন, স্বাধীনতাবিরোধী রাজাকারদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাবেন এবং আজ তা দৃশ্যমান। তিনি বলেছিলেন, বাঙালি জাতিকে অর্থনৈতিক মুক্তি দেবেন এবং আজ বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক পরিমÐলে ‘উন্নয়নের রোল মডেল।’ ভারত-মিয়ানমারের সঙ্গে আইনি যুদ্ধ করে সমুদ্র সীমানা নির্ধারণে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার অবদান অভ‚তপূর্ব। ছিটমহলসহ অধুনা মহাকাশে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের মাধ্যমে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আজ উজ্জ্বল। আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে বঙ্গবন্ধুকন্যার ঐতিহাসিক ভ‚মিকা জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে আজীবন স্মরণ করবে। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]