নিষিদ্ধ ৫২ পণ্যের মধ্যে প্রাণের হলুদে নেই হলুদের ছিটে ফোটা

আমাদের নতুন সময় : 20/05/2019

হ্যাপি আক্তার : কি ছিলো ৫২ খাদ্য পণ্যে? কেন গড়ালো হাইকোর্ট পর্যন্ত?  কেনই বা দ্রত বাজার থেকে তুলে নেয়ার তড়িঘড়ি। এর আগে এমন ইস্যুতে সরকারি সংস্থাগুলোকে এতটা ব্যস্ত হতে দেখেনি কেউ। নিষিদ্ধ ৫২ পণ্যের এমন নানা প্রশ্ন সাধারণ মানুষের মনে। উচ্চ আদালতের এই মান পরীক্ষার রিপোর্টেই আছে বিস্তারিত। যমুনা টিভি।

দেশের বিভিন্ন বাজার থেকে ৪০৬ খাদ্য পণ্যের নমুনা পরীক্ষা করে খাদ্যের মান নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসটিআই। ফল আসে ৩১৩টির, যার মধ্যে ৫২টি নিত্যপণ্য নিষিদ্ধ। হাইকোর্টের নির্দেশে বন্ধ সেগুলোর উৎপাদন, বিপনন ও বিক্রি বন্ধ করা হয়।এরপর পৃষ্ঠা ২, সারি

(প্রথম পৃষ্ঠার পর)  যা দ্রুতই তুলে নেয়া হয়েছে বাজার থেকেও। রাতারাতি কাঠগড়ায় বড়-ছোট নামি বেনামি উৎপাদক প্রতিষ্ঠান।

কি এমন ছিলো বিএসটিআই এর ল্যাব রিপোর্ট। প্রাণের হলুদের নেই হলুদের ছিটে ফোটা আছে শুধু অ্যাশ। কয়েকটিতে আবার সীসাও মিলেছে। কারি পাউডারে অ্যাশের সঙ্গে  মিলেছে সোডিয়াম, রং আর আরসেনিক।  চার কোম্পানির সরিষা তেলে অদ্ভুতুরে আয়রন মিলেছে যার একটুও থাকার কথা না সরিষার তেলে। বোতলজাত বিশুদ্ধ খাবার পানি জীবানুতে ভর্তি। ঠিক নেই পিএইচ মান। প্রশ্নের মুখে ৭ কোম্পানির নাম। আয়োডিন মেলেনি ৭ প্রতিষ্ঠানের আয়োডিনযুক্ত লবণে। অথচ বিনে পয়সায় দেয়া হয়েছিলো আয়োডিন মেশিন। লাচ্ছা সেমাই প্রস্তুতকারক ৯ প্রতিষ্ঠানের সেমাইয়ে মাত্রার চেয়ে বেশি ফ্যাট, আর চর্বি মিলেছে। প্রাণ এগ্রোর সেমাইতে যা মিলেছে তার সম্পূর্ণটাই ফ্যাট।

সাধারণ মানুষ বলছে, এমন চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়েও যদি খাবারে ভেজাল থাকে তাহলে তো এগুলো আর খাওয়ার রুচি থাকার কথা নয়। এতো বড় বড় কোম্পানি, আবার তারাই ভেজাল খাদ্য তৈরি করছে তাদের শাস্তি হওয়া উচিত। সম্পাদনা : কায়কোবাদ মিলন,ওমর ফারুক

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]