৪০দিনের  কর্মসৃজন ২০০ টাকায় শ্রমিক মেলেনা বেশিরভাগ অর্থই তছরুপ শুধু ব্যাংক কর্মকর্তাই নেন লাখে ২৫ হাজার

আমাদের নতুন সময় : 20/05/2019

বিশ্বজিৎ দত্ত : হত দরিদ্রদের জন্য নেয়া সরকারের ৪০ দিনের কর্মসৃজন  কর্মসূচির বেশির ভাগ অর্থই পাচ্ছেনা দরিদ্ররা। শ্রমিকদের অপর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দের কারণে এই কর্মসূচির অর্থ যেনতেনভাবে ব্যাংক কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণপ্রতিনিধিরা তছরুপ করছেন। এ বিষয়ে  সুনামগঞ্জ জেলার একজন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জানান, ৪০ দিনের কর্মসূচির জন্য প্রতিজন শ্রমিককে দেয়া হয় প্রতিদিনের কাজের জন্য ২০০ টাকা। এরমধ্যে ২৫ টাকা আবার শ্রমিকের ব্যাংক হিসাবে থাকে। কিন্তু এলাকায় ৮০০ টাকা দিয়েও একজন ধানকাটার শ্রমিক পাওয়া যায় না। সেখানে ২০০ টাকায় কোন শ্রমিক কাজ করবে। কিন্তু মার্চ থেকে এপ্রিলের মধ্যে এই অর্থ ব্যয় করতে হবে। এই সময়ের মধ্যে এই টাকায় শ্রমিক কখনোই পাওয়া যায় না। ফলে যেনতেনভাবে কিছু লোককে ৫ হাজার এরপর পৃষ্ঠা ২, সারি

(প্রথম পৃষ্ঠার পর) টাকায় কার্ড দিয়ে মেম্বাররা ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নিচ্ছে। আর ব্যাংকে গিয়ে যেহেতু টাকা তুলতে হয় এরজন্য যে ব্যাংক থেকে টাকা তুরতে হয় সেই ব্যাংকে  প্রতি ১ লাখে ২৩ হাজার টাকা করে দিতে হয়।

ত্রাণ ও দুর্যোগ  ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, বছরে ২ বার ৪০দিন করে কর্মহীন শ্রমিকদের মোট ৮০ দিন গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নন ও সংস্কারের জন্য অর্থ দেয়া হয়। ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বাররা হলো ৪০ দিনের কর্মসৃজন কর্মসূচির স্থানীয় চেয়ারম্যান। তিনিই অতিদরিদ্রদের  ৪০দিনের কর্মসূচির কার্ড দেন। এটি সঠিকভাবে যাতে হয় তারজন্য উপজেলা পরিষদের ্ইউএনও  ও চেয়ারম্যান কাজের তদারকি করেন।

অক্টোবর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত প্রথম দফায় টাকা দেয়া হয়। দ্বিতীয় দফায় দেয়া হয় মার্চ থেকে এপ্রিলের মধ্যে। এই কার্ডধারীদের ৩৩ শতাংশ অবশ্যই মহিলা হতে হবে।

জানা যায়, এই অর্থ বছরে ৪০ দিনের কর্মসৃজন কর্মসূচিতে ১ হাজার ৬৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এই টাকার সবটাই অনুদান দিয়ে থাকে বিশ্বব্যাংক।  সারাদেশের ৯ লাখ ৬৮ হাজার  ব্যাক্তিকে এই অর্থ দেয়া হয়।

এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে বলেন, কর্মসূচিটি একটি ভাল উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল। এটি খুবই প্রয়োজনীয়। কিন্তু কর্মসূচিতে দুর্নীতির কারণে কাজ বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। তিনি বলেন, ২০০ টাকায় এখন শ্রমিক পাওয়া যায়না এটা সত্য। এরজন্য আমরা বিশ্বব্যাংককে চিঠি দিয়েছি বরাদ্দ ৫০০ টাকা করার জন্য। আশা করছি আগামী অর্থ বছরে এটি অন্তত ৪০০ টাকা হবে। সম্পাদনা : ওমর ফারুক

 

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]