অধ্যাপক নজরুল ইসলাম বললেন, ২য় মেঘনা ও  গোমতি সেতু চালু হওয়ায় স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদে সুফল পাওয়া যাবে

আমাদের নতুন সময় : 25/05/2019

আশিক রহমান : নগর-পরিকল্পনাবিদ অধ্যাপক নজরুল ইসলাম বলেছেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দ্বিতীয় মেঘনা ও দ্বিতীয় গোমতি সেতু উদ্বোধন হওয়ায় এ পথে চলাচলকারী যাত্রীদের দুর্ভোগ অনেকটাই লাঘব হবে। স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদে সুফল পাওয়া যাবে। নতুন সেতুর সুবিধা নিতে হলে সঠিক ব্যবস্থাপনার দিকে জোর দিতে হবে। সেতুর বাইরে ব্যবস্থাপনায় যাতে কোনো ত্রুটি না থাকে, সচেষ্ট থাকতে শৃঙ্খলায়। সেতুর উপর যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। চালকেরা অনেক সময় সেতুর উপর ওভারটেক করতে গিয়ে যানজট তৈরির পথ তৈরি করে দেন। এসব বিষয়ে সব সময় নজর রাখতে হবে। তিনি আরও বলেন, সেতুর টোলপ্লাজার ব্যবস্থাপনার বিষয়ে এর আগেও নানান অভিযোগ ছিলো। ব্যবস্থাপনা যে খুব একটা ভালো ছিলো তাও বলা যাবে না। টোলপ্লাজার ব্যবস্থাপনা উন্নতি করতেই হবে, যদি নতুন সেতুর সুফল নিতে চাই আমরা। ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা আমাদের আনতেই হবে।

অধ্যাপক নজরুল ইসলাম বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দেশের অর্থনীতির লাইফ-লাইন। এই মহাসড়ক সব সময় সুশৃঙ্খলার মধ্যে রাখতে হবে, দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতির স্বার্থেই। এই সড়ক পথটি জ্যামমুক্ত রাখা জরুরি ছিলো, নতুন সেতু চালু হওয়ার ফলে সেটি সম্ভব হবে বলেই ধারণা আমার। দেশের গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত হয়েছে আগেই, যা খুবই দরকার ছিলো। এখন নতুন সেতু চালু হলো, দেশের অর্থনীতির জন্য এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এতোদিন সড়কটি যানজটে অত্যন্ত বেহাল অবস্থার মধ্যে ছিলো। দেশের অর্থনীতির গতি ঠিক রাখতে এই মহাসড়কটি যানজটমুক্ত রাখার বিকল্প নেই বলেও মনে করেন এই নগর বিশেষজ্ঞ।

 

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]