আইনুন নিশাত বললেন, মমতার সফলতা-ব্যর্থতার উপর তিস্তাচুক্তি নির্ভর করে না

আমাদের নতুন সময় : 25/05/2019

লিয়ন মীর : ভারতের লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যয়ের জনপ্রিয়তা কমেছে কি বেড়েছে এটা আমাদের বিবেচনার বিষয় নয়। কেননা মমতার সফলতা ও ব্যর্থতার উপর তিস্তাচুক্তি নির্ভর করে না। তিস্তা চুক্তি ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের উপর নির্ভর করে বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞ ড. আইনুন নিশাত।

তিনি বলেন, তিস্তা চুক্তিতে বাংলাদেশ কেন মমতার দিকে তাকাবে? বাংলাদেশ কথা বলবে ভারতের সঙ্গে। এখানে ঢাকা টু দিল্লি আলোচনা হবে। সরকারের সঙ্গে কথা হবে। চুক্তি হবে কান্ট্রি টু কান্ট্রি, মমতা কোনো ফ্যাক্টর নন। বাংলাদেশের সঙ্গে তিস্তা চুক্তি করতে গিয়ে ভারত যদি অভ্যন্তরীণ কোনো সমস্যার মুখোমুখি হয় সেটা ভারতের বিষয়, বাংলাদেশের নয়। তাই ভারতের অভ্যন্তরীণ সমস্যা ভারতকে সমাধান করতে হবে। বাংলাদেশ পশ্চিমবঙ্গের উপর কেন দৃষ্টিপাত করতে যাবে? এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গের বাধার মুখে যদি তিস্তা চুক্তি আটকে থাকে তাহলে মোদী সরকারকে ব্যর্থ করতে মমতা তিস্তা চুক্তিতে আরো বেশি বেঁকে বসবেন। কেননা মোদীকে ব্যর্থ করতে মমতা এবার সবদিক দিয়ে আঘাত হানার চেষ্টা করবেন। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির উত্থানে মমতার ক্ষমতা না কমলেও গলার জোর কমেছে। যার ফলে কেন্দ্রীয় সরকার কিছুটা হলেও তাকে চাপে ফেলতে পারবে। তাই এবার দেখা যাবে মোদী আসলেই চিস্তা চুক্তি চায় কিনা? তিস্তা চুক্তিতে আগামীতে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকৃত সদিচ্ছার চিত্র ফুটে উঠবে।

তিনি আরো বলেন, মমতার বাধার মুখে টেবিল থেকে যখন তিস্তা চুক্তি উঠে যায় তখন সেটা ভারতের লজ্জা এবং কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যর্থতা। রাজ্য সরকারকে রাজি করানোর দায়িত্ব কেন্দ্রীয় সরকারের, বাংলাদেশের নয়।  ভারত সরকার কেন রাজ্য সরকারকে রাজি না করিয়ে তিস্তা চুক্তির ফাইল নিয়ে টেবিলে বসে সেটাও খতিয়ে দেখার বিষয়। আসলেই কি ভারত তিস্তা চুক্তি চায় কিনা?




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]