• প্রচ্ছদ » » পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির শক্তিবৃদ্ধি বাংলাদেশের জন্য অশান্তির


পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির শক্তিবৃদ্ধি বাংলাদেশের জন্য অশান্তির

আমাদের নতুন সময় : 25/05/2019

আরিফুজ্জামান তুহিন

ভারতের সংসদীয় ধারার বামপন্থা গত এক দশকে আগেই ভ্যানিশ হয়ে গেছে। এ লিবারেল বামপন্থার দিন শেষ। ফ্যাসিবাদকে কখনোই লিবারেল বামরা প্রতিরোধ করতে পেরেছেন ইতিহাসে তার নজির নেই। এর জন্য বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টি দরকার। জ্যোতি বসু যে আমলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন ঠিক তখন নকশালপন্থিরা পুলিশের হাতে গুলি খেয়ে সবচেয়ে বেশি মারা গেছে। জ্যোতি বাবুর সফেদ ধুতিতে বিপ্লবীদের রক্তের দাগ লেগে ছিলো। ইতিহাস জ্যোতি বাবুকে ক্ষমা করবে না।
নন্দীগ্রাম, সিঙ্গুর কাÐে বামফ্রন্ট বিদায় নিয়েছে পশ্চিমবাংলা থেকে। এ ঘটনায় মাওবাদীদের বড় ভ‚মিকা ছিলো। বলা যায়, প্রধান ভ‚মিকা ছিলো। ক্ষমতায় এসে মমতা মাওবাদীদের উচ্ছেদ করে ভাবছেন, বামফ্রন্ট ত্রাসের রাজত্ব করে ৩৪ বছর টিকেছে, তারাও পারবে। গাÐুদের দল। সারা ভারত থেকে সংসদীয় বামপন্থিরা উচ্ছেদ হতে চলেছ। ভারতে কমিউনিস্টদের উত্থান ঘটানোর একমাত্র ক্ষমতা আছে মাওবাদীদের। ভারতের মাওবাদী কমিউনিস্টরা যেদিন শেষ হয়ে যাবেন, সেদিনই ভারতে করপোরেট বিরোধী লড়াই, জল জঙ্গল রক্ষার লড়াই, বেঁচে থাকার লড়াই শেষ হয়ে যাবে। বরং ভুয়া কমিউনিস্টদের পতনের ফলে মাওবাদীদের সামনে সুযোগ এসেছে, নানা ফ্রন্টে হিন্দুত্ববাদী স্বৈরশাসকের বিরুদ্ধে প্রকৃত লড়াই করা। তবে পশ্চিমবাংলায় বিজেপির শক্তি বৃদ্ধি বাংলাদেশের জন্য অশান্তির। কারণ সেখানে এনআরসি করে যদি বাঙালিদের মধ্যে ভীতির সঞ্চার করে তবে তার সব থেকে বড় প্রভাব বাংলাদেশে এসে পড়বে। আমার ধারণা মোদী সেই খেলাটাই খেলবেন। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]