• প্রচ্ছদ » » বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য বাছাই পরীক্ষা নিয়ে কিছু কথা, কিছু কৌত‚হল


বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য বাছাই পরীক্ষা নিয়ে কিছু কথা, কিছু কৌত‚হল

আমাদের নতুন সময় : 25/05/2019

আর রাজী

দেশের বড়সড় লোক বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে ছয়দিন (এটা গড় হিসাব) ধরে বিভিন্ন ইউনিটের বাছাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিদিন গড়ে দুইটি পালায় যদি পরীক্ষা নেয়া হয়, তাহলে গড়ে বারোটি পালায় পরীক্ষা চলে। এই পরীক্ষায় কেবল হলে পাহারা বা হল-ডিউটিতে নিয়োজিত থাকেন কমবেশি আড়াই হাজার শিক্ষক-কর্মচারী ইত্যাদি আরও অনেকে। তার মানে বারো শিফটে নিয়োজিত লোকবলের সংখ্যা ত্রিশ হাজার। এদের একেকজনের ‘সম্মানী’ একেক রকম, কিন্তু টাকা দেয়ার প্রক্রিয়া সবার জন্য এক। এরা যে সম্মানী পান তার জন্য একটা ভাউচার তৈরি হয় এবং সেখানে রাজস্ব টিকিট (রেভিন্যু স্ট্যাম্প) লাগাতে হয়। কিন্তু যারা সম্মানী নেন তারা কেউ সঙ্গে করে ‘রাজস্ব টিকিট’ আনেন না বা তা আনার দরকার পড়ে না। কারণ ওই টাকা সম্মানী থেকে আগেই কেটে রাখা হয়। এ নিয়েও আমার কোনো কথা নেই, আমার কৌত‚হল হচ্ছে এই ত্রিশ হাজার ভাউচারে কতোজন, কতোদিনে অন্তত ত্রিশ হাজার রাজস্ব টিকিট সাঁটেন? কেবল তো সাঁটলেই হয় না, সেসব যেমন খুলতে মেলতে হয়, তেমন আবার নিশ্চয়ই গুছিয়েও রাখতে হয়। যদি গড়ে এক মিনিট করে এতে সময় যায় তাতে পাঁচশো ঘণ্টা লাগার কথা।
হে আমার প্রিয় ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ভাই ও বোনেরা, চিন্তা করে দেখুন, আপনাদের সেবায় কী বিপুল পরিশ্রম করেন লোক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি-পরীক্ষা সংশ্লিষ্টরা। বন্ধুরা আমার, আপনারা কি এগিয়ে আসতে পারেন না, বলতে পারেন না, পরীক্ষা চলাকালেই আপনারা বিল ভাউচারে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে রাজস্ব টিকিট সেঁটে দেবেন। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]