ড. সা’দত হুসাইন বললেন, তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তিজটিল বিষয়, হঠাৎ করে সমাধান আশা করা কঠিন

আমাদের নতুন সময় : 26/05/2019

আশিক রহমান : সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. সা’দত হুসাইন বলেছেন, তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তির বিষয়ে এর আগের টার্মে নরেন্দ্র মোদী একাধিকবার বলেছিলেন, চুক্তি হবে। কিন্তু তিনি কি কিছু করতে পেরেছিলেন? পারেননি। কেন পারেননি? কারণ সমস্যাটা এতো সহজ নয়। কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকাকালেও তিস্তা চুক্তির বিষয়ে চেষ্টা হয়েছিলো, তৎপরতা ছিলো, কিন্তু সমস্যার সমাধান হয়নি। তবে সমস্যা সমাধানে এবারও তারা তাদের চেষ্টা অব্যাহত রাখবেন বলে আমরা আশা করছি।

তিনি আরও বলেন, মোদীর বিজয় অভূতপূর্ব কোনো বিষয় নয়। কংগ্রেসও তো এর আগে একাধিকবার টানা রাষ্ট্র ক্ষমতায় ছিলো। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টও একাধিকবার ক্ষমতায় আসেন। বিজেপি টানা দ্বিতীয়বারের মতো রাষ্ট্রক্ষমতায় আসীন হওয়া নতুন কিছু নয়।  ভারতীয় অনেক গণমাধ্যমে বলা হচ্ছেÑ এবারের এই হারের ফলে কংগ্রেসের রাজনীতি শেষ! গান্ধী পরিবারের রাজনীতিও নাকি শেষ হয়ে গেছে। এটা কীভাবে সম্ভব? একটা দল পরপর দুইবার রাষ্ট্রক্ষমতার বাইরে থাকবে বলে তাদের রাজনীতি শেষ হয়ে যাবে? মোটেও না।

ড. সা’দত হুসাইন বলেন, নির্বাচনের আগে বামদের সঙ্গে মমতার সমঝোতায় যাওয়া দরকার ছিলো। যদি সেটা তিনি করতে পারতেন তাহলে হয়তো যে ফলাফল তার দল করেছে পশ্চিমবঙ্গে, তার চেয়েও ভালো ফল করতে পারতো। সেই সুযোগটা ছিলো। কিন্তু বামদের উপরে তার সরকার যে নিপীড়ন করেছে সে কারণেই হয়তো তারা তৃণমূলের প্রতি অসন্তুষ্ট। যে কারণে বিজেপির মতো একটা সাম্প্রদায়িক শক্তির সঙ্গে তারা আঁতাত করেছে নিজেদের বাঁচার প্রয়োজনে। তিনি বলেন, লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলে তো মমতার ক্ষমতা পুরোপরি যাবে না। তিনি দুর্বল বা শক্তিক্ষয়েরও কিছু নেই। রাজনীতিতে তিনি একেবারে পথে বসে গেছেন এমনটি বলাও সঠিক হবে না। তিনি একটি প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন, সেখানে ভালো করার চেষ্টা তিনি করবেন নিশ্চয়ই।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]