• প্রচ্ছদ » » ভারতের সঙ্গে অমীমাংসিত যেসব সমস্যা রয়েছে, সেগুলো আমলাতান্ত্রিক এবং রাজনৈতিকভাবে সমাধান করতে হবে, বললেন সুভাষ সিংহ রায়


ভারতের সঙ্গে অমীমাংসিত যেসব সমস্যা রয়েছে, সেগুলো আমলাতান্ত্রিক এবং রাজনৈতিকভাবে সমাধান করতে হবে, বললেন সুভাষ সিংহ রায়

আমাদের নতুন সময় : 26/05/2019

জুয়েল খান : ভারতের সঙ্গে তিস্তা চুক্তিসহ যেসব অমীমাংসিত সমস্যা রয়েছে সেই সমস্যাগুলোর কথা আমরা সহজে বলে ফেললেও এর সমাধান প্রক্রিয়া কিন্তু খুব জটিল। যেখানে ভারতের নিজের রাষ্ট্রের ভেতরেই পানি নিয়ে বিভিন্ন রাজ্যের মধ্যে নানা সমস্যা রয়েছে। পানি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মমতা ব্যানার্জি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় সেটার সঙ্গে তার ভোটের রাজনীতি জড়িত আছে। আবার ওখানেও যে পানি বেশি আছে বিষয়টা এমন নয়। চুক্তিতে বলা হয়েছিলো গজলডোবা পয়েন্টে যে পানি থাকবে সেটা ভাগাভাগি হবে। তবে মমতার বক্তব্য হচ্ছে গজলডোবাতে পানি নেই এখন গজলডোবাতে পানি নেই কেন তার পেছনে একটা কারণ আছে। গজডোবা থেকে পঁয়তাল্লিশ কিলোমিটার পেছনে বাংলাদেশের অনুমতি ছাড়া বাঁধ দেয়া হয়েছে, ফলে গজলডোবায় পানি আসছে না। গজলডোবার পেছনে যখন বাঁধ দেয়া হয়েছিলো তখন বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় ছিলো না, তখন সেই সরকার কি করেছেন? তারা প্রতিবাদ করেনি কেন? তখনকার সরকার প্রতিবাদ করলে ওই বাঁধ দেয়া হতো না, ফলে এখন আমাদের তিস্তার পানি নিয়ে এতো সমস্যায় পড়তে হতো না বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক সুভাষ সিংহ রায়। তিনি বলেন, তিস্তার পানি সমস্যার সমাধান করতে হলে দু’দেশের আমলাতন্ত্র, দু’দেশের রাজনৈতিক নেতাদের বসে সমাধান সূত্র বের করতে হবে। উপর থেকে যে পানি নেমে আসছে সেটা যেন আমরা ঠিকমতো ব্যবহার কতে পারি। উপরের পানি নিচে আসবে সেটা কেউ আটকাতে পারবেন না। এটা কোনো আইন নৈতিকতা সমর্থন করে না। ভারত থেকে পানি নিচের দিকে আসছে এবং ভারত সেই পানি আটকাচ্ছে বিভিন্ন রাজনৈতিক কারণে এবং নিজের স্বার্থের কারণে। পাশাপাশি বাস করতে গেলে বাংলাদেশ এবং ভারতকে একে অপরের ভালো-মন্দ দেখতে হবে।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]