রাজধানীর বুটিকস হাউসগুলোতে উপচে পড়া ভীড়

আমাদের নতুন সময় : 26/05/2019

তাপসী রাবেয়া : শনিবার রাজধানীর মিরপুর রোডের আড়ং এর আশপাশে অনেকের হাতেই শুধু আড়ংয়ের ব্যাগ। আড়ং এ ঢোকা সিড়ি থেকেই ভীড়। গায়ে গা ঘেষে ঘেষে কেনাবেচা চলছে এখানে। কারো দিকে কারো মনযোগ নেই। একটা হ্যাঙ্গারের কাপড়ের পিছনে কমপক্ষে ১৫ জন ক্রেতা। সেলসম্যানরা পাশে তাকানোর সুযোগ পাচ্ছিলেন না।

ধানমন্ডি ১০/এ থেকে আসা সুমাইয়া বলেন, এখনও দেশ সেরা ব্র্যান্ড আড়ং। অন্য যেকোনো দোকান থেকে কেনাকাটা করলেও আড়ং থেকে করেন মূল কেনাকাটা। এটা পারিবারিক ট্রাডিশন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মোহম্মদপুর থেকে আসা মনসুর দম্পতি জানালেন, নিজের পরিবারের পাশাপাশি আত্মীয় পরিজনদের জন্য কেনাকাটা করছেন এখান থেকে। এ নিয়ে তিনদিন এসেছেন বলেও জানান তারা।

আড়ং এ লেডিস কর্ণার, মেনস ওয়ার,  তাগা, জুয়েলারি, ব্যাগ, জুতা এমনকি শোপিসের সেকশনেও উপচে পড়া ভীড়। শিশু কর্নারে শিশুদের নিয়ে এসেছেন বাবা মা। গরমে আরামদায়ক আর আধুনিক কাপড়ের দিক থেকে আড়ং সবচেয়ে এগিয়ে আছে বলে জানিয়েছে ক্রেতারা।

এবার আড়ংএ নিজস্ব ধারায় কটন, সিল্ক, এন্ডি কটন, হ্যান্ডলুম, তাঁত, মসলিন, কোটা কাপড় ছাড়াও মিক্সড কাপড় ব্যবহার করেছে। আড়ং এ সেলসম্যান গিফারী বলেন, শুক্রবার আর শনিবার যে ভীড় হয় তা গণনার বাইরে। মিরপুর রোডে দেশের আর এক শীর্ষস্থানীয় বুটিকস, অঞ্জনসের শো রুমে গাদাগাদি করে নিজেদের ঈদ পোষাক কেনাকাটা করছিলেন ক্রেতারা। এই শো রুমে কাপড় কিনতে আসা সোবহানবাগের তুলি বলেন, রমজান শেষে পথে। ছুটির দিন আর হাতে পাওয়া যাবে না। তাই এখনই কেনাকাটা করছেন। তিনি বলেন, দেশীয় কাপড় আর আধুনিকতার কথা বিবেচনা করে বেশ কয়েক বছর ধরেই এই শোরুম থেকেই কেনা কাটা করেন তিনি।

তরুণদের কথা বিবেচনায় গত কয়েক বছর ধরে গ্রামীণ ও কে ক্রাফট চালু করেছে ইউনিক্লো এবং ইয়াং কে।

এই দুই শো রুম ঘুরে দেখা গেছে ১৫ থেকে ২২ বছর বয়সী তরুণ তরুণীরাই বেশি কেনাকাটা করছেন। কিছুটা ওয়েষ্টার্ন ধাচের পোষাক নিয়ে এসেছে এই শোরুমগুলো।

শনিবার দুপুর আড়াইটায় নবরূপার শোরুমে ছিল হাজারো ক্রেতার সমাগম। কেউ শাড়ি কিনছেন, কেউ বা পাঞ্জাবী। আবার কেউ কেউ বাচ্চার কেনাকাটায় ব্যাস্ত।

এখানকার ম্যানেজার শাহনাজ বেগম এ প্রতিবেদককে বলেন, বিক্রিতে সন্তুষ্ট তারা। ছুটির দিনগুলোতে ব্যবসা হচ্ছে সবচেয়ে বেশি। তিনি বলেন, মেয়েদের পোষাক ৯০০ থেকে শুরু করে ৫০০০ টাকা পর্যন্ত রয়েছে এখানে।

আরেক বিক্রয়কর্মী মুক্তা বলেন, চাঁদ রাতে বলা যাবে ব্যবসা গতবছর ভালো হয়েছে না এবছর।

এসব শো রুমের বিক্রিয়কর্মীদের কাছে ইন্ডিয়ান পোষাকের প্রভাব পড়েছে কিনা জানতে চাইলে তারা বলেন, দেশীয় নামকরা ব্রান্ডে কোনো প্রভাব নেই। যারা বিদেশী কাপড় আমদানি করেন লাভক্ষতি তাদেরই বেশি।

শোরুমের গুলো ঘুরে দেখা গেছে এবার গরমের কথা মাথায় রেখে সুতি কাপড়কে সবচেয়ে বেশি প্রধান্য দেয়া হয়েছে। সম্পাদনা : ইকবাল খান

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]