অনাদারে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় জাম

আমাদের নতুন সময় : 28/05/2019

মতিনুজ্জামান মিটু : উৎপাদন বাড়লেও ক্রমাগত কাটা পড়ছে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণসহ ঔষধী ও পুষ্টিগুণের রসালো ফল জামের গাছ। গ্রামের কোনো কোনো বাড়ির আঙ্গিনায় দুই একটি দেখা গেলেও বাণিজ্যিকভাবে প্রয়োজনীয় এই ফলের বাগান কেউ করে না। ব্যক্তি পর্যায়ে কিছু চারা লাগানো হলেও এখনো ফল আসেনি। ওই সব গাছে জাম ধরতে আরো ৩/৪ বছর লেগে যাবে, জানিয়েছেন কৃষিবিদরা।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসেবে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে দেশে ৬২১৫ হেক্টর জমিতে ৯৯৬২৯ মেট্রিক টন জাম উৎপাদন হয়েছিলো। চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে কী পরিমাণ জাম হয়েছে তার হিসেব এখানো পাওয়া যায়নি। ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন স্থানে জাম বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ১৫০ টাকা থেকে ২০০ টাকায়।

বছরব্যাপী ফল উৎপাদনের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্পের পক্ষ থেকে জামের গাছ সম্প্রসারণের কিছু কিছু উদ্যোগ নেয়া হলেও তা যথেষ্ট নয়। ফলের একটি মাত্র প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের চাহিদা অনুযায়ী এই চাষ সম্প্রসারণের কাজকে এগিয়ে নেয়া যাচ্ছে না। এ জন্য আলাদা করে আরো প্রকল্প নেয়া দরকার।

খুব কম আয়ু নিয়ে বছরের এক বার আসে এই জাম। দেখতে না দেখতেই ফুরিয়ে যায়। জামের সময় দীর্ঘ করতে বা যাতে বেশি সময় ধরে বাজারে পাওয়া যায় তার জন্য জামের জাত উন্নয়নের বিকল্প নেই।

জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত ফল চাষি মো. সেলিম রেজা বলেন, প্রবল ইচ্ছা আছে তবে জমির অভাবে জামের বাগান করা যাচ্ছে না। থাইল্যান্ড, বেলজিয়াম ও অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশের কিছু ভাল জাত এদেশে এসেছে। এছাড়া স্থানীয় জামের কিছু ভাল জাতও সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করেছি। সম্পাদনা : রেজাউল আহসান

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]