চট্টগ্রামের কারাগারের ভেতরে ইট পাওয়ায় নিরাপত্তা প্রশ্নবিদ্ধ, বললেন খুশী কবির

আমাদের নতুন সময় : 02/06/2019

জুয়েল খান : চট্টগ্রামের কারাগারের ভেতরে এক আসামি আরেক আসামিকে ইট দিয়ে আঘাত করে হত্যা করেছে। এই বিষয়টাকে সহজভাবে দেখার কোনো সুযোগ নেই। বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করতে হবে কীভাবে ইট ভেতরে আসলো সুতরাং অপরাধীকে কোনোভাবেই ছাড় দেয়ার সুযোগ নেই বলে মনে করেন মানবাধিকার কর্মী খুশী কবির।

তিনি বলেন, জেলখানা হচ্ছে সব থেকে নিরাপদ জায়গা। একজন কারাবন্দির সব প্রকার নিরাপত্তার দায়িত্ব কারা কর্তৃপক্ষের। একজন মানুষ যখন আসামি হচ্ছে তখন তিনি কোনো স্বাধীন মানুষ থাকেন না, তখন তার সব কিছুর দেখভালের দায়িত্ব রাষ্ট্রের। সে হিসাব করেই কারাগার সবচেয়ে বাড়তি নিরাপত্তার মধ্যে থাকে। একজন আসামির খবার থেকে শুরু করে পোশাক পর্যন্ত প্রতিদিন চেকআপ করা হয় সেখানে চট্টগ্রামের কারাগারে একজন আসামিকে আরেকজন আসামি কীভাবে ইট দিয়ে আঘাত করে হত্যা করলো? আর সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হচ্ছে এতো নিরাপত্তা সত্ত্বেও কারাগারের ভেতরে কীভাবে ইট আসলো? সুতরাং একটা কথা বলা যায় যে, যারা কারারক্ষী ছিলো তাদের মধ্য থেকে ইট আনতে সহায়তা করেছে এবং নিরাপত্তা কর্মীরা তাদের তল্লাশির দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেনি। যেখানে কয়েদিরা থাকে সেখানে কোনো কিছুই রাখার কোনো সুযোগ নেই। ইট তো দূরের কথা একটা ম্যাচের কাঠি পর্যন্ত রাখা যায় না। এছাড়া বাইরে থেকে খাবার আনার ক্ষেত্রেও রয়েছে বিভিন্ন বিধি-নিষেধ, ফলে কারাগারের নিরাপত্তার বিষয়টা আরো ভালোভাবে দেখতে হবে বলে মনে করেন এই মানবাধিকার কর্মী।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]