রাজধানীর শপিং মল গুলোতে বেচা-কেনা হচ্ছে রাত আড়াইটা পর্যন্ত, জমজমাট সেহরি পার্টি

আমাদের নতুন সময় : 02/06/2019

স্বপ্না চক্রবর্তী : ঘড়িতে রাত ২.১৫। নিস্তব্ধতা ছেয়ে থাকার কথা নগরীতে। কিন্তু চোখ থেকে যেনো ছুটি নিয়েছে ঘুম। রাজধানীর শপিং মলগুলোতে তখনও উপচে পড়া ভিড়। আর দুই দিন পরেই আকাশে উঠবে ঈদের চাঁদ। তাই শেষ মুহুর্তের কেনাকাটায় ব্যস্ত নগরবাসী। তবে চিত্র পাল্টেছে। এখনকার শপিংমলগুলোতে দিনের বেলার চাইতে ক্রেতাদের ভিড় বেশি হচ্ছে রাতেই। ইফতারের পর থেকে শুরু হয়ে সেহরি পর্যন্ত চলছে কেনাকাটা। দিনের জ্যাম-গরম এড়াতে নগরবাসীর এ কৌশল। এতে করে রাজধানীর রেস্টুরেন্টগুলোতে ইফতার পার্টির মতোই জমছে সেহরি পার্টি। কখনো কখনো সেহরির সময়ে জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না রেস্টুরেন্টগুলোতে। ইফতার পার্টির চাইতে সেহরি পার্টির মজা নেওয়ার সংখ্যা আগে তরুণ মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও রমজানের শেষ সপ্তাহে পরিবারের সবাইকে নিয়ে করছেন সেহরি পার্টি।

শুক্রবার মধ্যরাতে রাজধানীর মৌচাক শপিং কমপ্লেক্সে ঈদের কেনাকাটা করতে আসা কায়কোবাদ মিলন বলেন, পত্রিকা অফিসে চাকরি করি। তাই সারাদিন ব্যস্ত থাকতে হয়। তাই পরিবার নিয়ে রাত ১১টার দিকে বের হয়েছি শপিং করতে। একেবারে সেহরি খেয়ে বাসায় ফিরবো। একই কথা বলেন নিউমার্কেট এলাকায় ঈদের কেনাকাটা করতে আসা রমজান আলী। তিনি বলেন, ঈদের পরেই পরিবার থেকে বিয়ে দেওয়ার তোড়জোড় শুরু হয়ে যাবে। তাই একসঙ্গে দুই অনুষ্ঠানের কেনাকাটাই করছি। দিনের বেলার ভিড় এড়াতে রাতে কেনাকাটা করতেই আমার স্বস্তি।

তবে খিলগাঁও এলাকার চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। রেস্টুরেন্ট অধ্যুষিত এই এলাকায় সারাবছরই যেনো একটা উৎসব উৎসব ভাব লেগে। এই অবস্থায় রঙ ছড়িয়েছে খিলগাঁওয়ের তালতলা মার্কেটে কেনাকাটা করতে আসা মানুষজন। পরিবার নিয়ে ঈদের নতুন কাপড় কিনতে এসেছেন আনিসুর রহমান তপন। তিনি বলেন, সারা মাসেই চেয়েছিলাম একদিন পরিবার নিয়ে বাইরে সেহরি পার্টি করবো। ইফতার পার্টি তো করা হয়ই। কিন্তু ট্রেন্ডের এই সেহরি পার্টির মজা নেওয়ার জন্য শেষ রাতে বেরিয়েছি শপিং করতে। বিষয়টা রথ দেখা আর কলা বেচার মতো। গরম-জ্যামবিহীন কেনাকাটাও হলো সেহরি পার্টিও হলো।

এ বেচা-কেনা চলবে চাঁদ রাত পর্যন্ত এমনটাই জানালেন বসুন্ধরা শপিং সিটির ক্লাসিক ফ্যাশনের স্বত্ত্বাধিকারী জুয়েল। তিনি বলেন, সকাল ১০টা থেকে বেচা-কেনা শুরু হলেও ভিড় বাড়তে শুরু করে ইফতারের পর থেকে। চলে সেহরি পর্যন্ত। চাঁদ রাত পর্যন্ত চলবে আমাদের এ বেচা-কেনা। আশার চাইতেও বেশি বিক্রি হয়েছে বলেও জানান তিনি। সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]