• প্রচ্ছদ » গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ » ট্রেন, বাস, লঞ্চ সবচেয়ে বেশি যাত্রী ঢাকা ছেড়েছে সোমবার, যথারীতি শিডিউল সামলাতে হিমসিম খেয়েছে রেল, লঞ্চে জায়গা পেতে ভোররাতে যাত্রীরা সদরঘাটে, তুলনামূলক স্বস্তি সড়ক পথে


ট্রেন, বাস, লঞ্চ সবচেয়ে বেশি যাত্রী ঢাকা ছেড়েছে সোমবার, যথারীতি শিডিউল সামলাতে হিমসিম খেয়েছে রেল, লঞ্চে জায়গা পেতে ভোররাতে যাত্রীরা সদরঘাটে, তুলনামূলক স্বস্তি সড়ক পথে

আমাদের নতুন সময় : 04/06/2019

তাপসী রাবেয়া : কাগজে কলমে গতকাল সোমবার শেষ কর্মদিবস হলেও রাজধানীতে ঈদের ছুটি শুরু হয়ে গেছে বৃহস্পতিবার রাত থেকে। তবে সবচেয়ে বেশি যাত্রী ঢাকা ছেড়েছেন ৩ তারিখ দিনরাত মিলিয়ে। কেউ ট্রেনে কেউ বাসে আবার কেউবা লঞ্চে।

বাংলাদেশ রেলওয়ে ঐতিহ্যগত ভাবেই শিডিউল বিপর্যয় বন্ধ করতে পারেনি এবারো। সোমবারও (৩ জুন) পাঁচ ঘণ্টা দেরিতে ছেড়েছে তিনদিন ধরে ধারাবাহিক শিডিউল বিপর্যয়ে পড়া চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস। সকাল ৭টা ১০ মিনিটে কমলাপুর স্টেশনে পৌঁছার কথা থাকলেও বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত স্টেশনে আসেনি। শেষ পর্যন্ত সেই ট্রেন প্লাটফরম ছাড়ে বেলা সোয়া একটায়। এছাড়া লালমনিরহাটগামী ঈদ স্পেশাল লালমনি এক্সপ্রেসে সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে কমলাপুর স্টেশন ছাড়ার কথা থাকলেও বেলা ১১টা পর্যন্ত ট্রেনটি কমলাপুওে পৌঁছেনি। এই ট্রেনটি ছাড়ার সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ করা হয় ১১টা ৪৫ মিনিট। এছাড়া রংপুরগামী ট্রেন রংপুর এক্সপ্রেস সকাল ৯টায় ছাড়ার কথা থাকলেও ট্রেনটি দুই ঘণ্টা দেরিতে বেলা ১১টায় কমলাপুর থেকে ছেড়ে গেছে। রেলওয়ে সূত্র জানিয়েছে, রবিবার (২ জুন) সকাল ১০টার দিকে সিলেটগামী ট্রেন ‘কুশিয়ারা এক্সপ্রেস’ হবিগঞ্জের রশিদপুর এলাকায় লাইনচ্যুত হয়। এ ঘটনায় শায়েস্তাগঞ্জ জংশন ও কুলাউড়া স্টেশনে সিলেট থেকে ঢাকাগামী ‘জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস’, চট্টগ্রাম থেকে সিলেটগামী ‘জালালাবাদ এক্সপ্রেস’ এবং ঢাকা থেকে সিলেটগামী ‘পারাবত এক্সপ্রেস’ ট্রেন আটকা পড়েছে। এই ট্রেনগুলো নির্ধারিত গন্তব্যে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় ছাড়তেও দেরি হচ্ছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন ঈদে ঘরমুখো যাত্রীরা। চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেসের যাত্রী সমীরা আক্তার সেতু বাংলা বলেন, ‘২৫ মে আমার ছোট ভাই ১২ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে তিনটি টিকিট পেয়েছে। আমি, সে এবং আমার মা সোমবার বাড়ি যাবো। ট্রেনের শিডিউল অনুযায়ী নীলসাগর এক্সপ্রেস সকাল ৭টা ১০ মিনিটে ছাড়ার কথা। কিন্তু সে ট্রেন ছাড়ে সকাল সাড়ে নয়টায়।

স্টেশন ম্যানেজার আমিনুল হক বলেন, নানা কারণে দুই-চারটি ট্রেন বিলম্ব হয়েছে। সারাদিনে ৫০ হাজারেরও বেশি যাত্রী বিভিন্ন ট্রেনে বাড়ি ফিরেছেন। ট্রেনের ছাদে যাত্রী ফেরা ঠেকাতে তারা তৎপর রয়েছেন। সায়দাবাদ, মহাখালী, কল্যানপুর বাসস্ট্যান্ড ঘুরে দেখা যায় সকালের চেয়ে সন্ধ্যায় বেশি যাত্রী ঢাকা ছাড়ছেন। সরকারি অফিস, গার্মেন্টস ছুটির পর যাত্রীরা ভীড় করছেন বাস কাউন্টারে। অবশ্য কোনো কোনো বাস এবার বেশি দামে সিট হিসেবে মোড়া বিক্রি করেছে। এজন্য জরিমানা করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গা ডিলাক্স নামের বাস কোম্পানিকে। নগদ ৩০ হাজার টাকা সহ ১৫দিনের জেল দেয়া হয়েছে ভ্রাম্যমান আদালতের পক্ষ থেকে।

নগরীর ফকিরাপুল বাস কাউন্টারে গিয়ে দেখা গেছে, শ্যামলী পরিবহনের কর্মীরা এসি বাসসহ যাত্রীদের ডেকে ডেকে টিকিট বিক্রি করছেন। এ কাউন্টার থেকে পরিবহনটি চট্টগ্রাম-কক্সবাজার-টেকনাফ-বান্দরবান-লামা-আলীকদম-ফটিকছিড়ি-খাগড়াছড়ি ও কাপ্তাই রুটে চলাচল করে। কাউন্টার মাস্টার রাজিবুল ইসলাম বলেন, ‘এখনও তাদের বাসের টিকিট রয়েছে। তবে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে সদরঘাটে। প্রতিটি লঞ্চ ছাড়ার বেশ আগেই ভরে যাচ্ছে। লঞ্চে জায়গা পেতে অনেকেই তিন-চার ঘণ্টা আগেই ছুটে আসছেন সদরঘাটে। সম্পাদনা : ওমর ফারুক

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]