ঊনিশ-বিশের বাজেটে থাকছে বড় ঘাটতি আর বেশি কর

আমাদের নতুন সময় : 10/06/2019

বিশ্বজিৎ দত্ত : ১৩ জুন জাতীয় সংসদে আগামী অর্থবছরের ২০১৯-২০ সালের বাজেট পেশ করা হচ্ছে। গতকাল শেষ হয়েছে বাজেটের প্রায় সকল কাজ। ছাপানোর জন্য পাঠানো হয়েছে প্রেসে। এবারের প্রস্তাবিত বাজেটে মোট রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ৩ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকার মতো। আর ঘাটতি রাখা হয়েছে ১ লাখ ৪৫ হাজার কোটি টাকার। চলতি বাজেটের রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি। অর্থমন্ত্রী আহম মোস্তফা কামাল ১৬ হাজার কোটি টাকা সংশোধন করেছেন। আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দিয়েছেন ২ লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকা। রাজস্ব বোর্ডের কর্মকর্তারা মনে করছেন এটিও তাদের পক্ষ্যে আদায় করা সম্ভব হবে ন্।া তাদের মতে চলতি বাজেটে ব্যাংকও কর্পোরেট খাতে কর কমানো হয়েছিল। তাতে তাদের আদায় কম হয়েছে আড়াই হাজার কোটি টাকা। চলতি বছর উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ কম। তাতেও কর আদায় কমেছে। রাজস্ব বোর্ডের গড় প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৬ শতাংশ। ভ্যাট ও শুল্ক আদায়ও কম হয়েছে।
এনবিআর সূত্র জানায়, চলতি বাজেটের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হলেও আগামী বাজেটে বেশ কিছু ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। তাতে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে। আয়করের ক্ষেত্রে কর্পোরেট ও ব্যাংক কর একই থাকলেও উৎস্যে করের হার বৃদ্ধি করা হচ্ছে। স্বর্ণ ব্যবসার উপর করারোপ করা হয়েছে। গ্রামাঞ্চলেও করের অফিস বিস্তার করা হচ্ছে। সকল প্রকার স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আয়কর বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।ভ্যাটের স্তর রাখা হচ্ছে ৪টি। সব মিলিয়ে আগামী বাজেটে করের হার ও করের আওতা দুইই বাড়ছে। কর ফাঁকি ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধে কিছু ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। সম্পদের উপর সারচার্জের হার বৃদ্ধি করা হচ্ছে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভুঁইয়া সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, আয়কর এবং ভ্যাটের উপর গুরুত্ব বেশি থাকবে। আমরা ট্যাক্স বাড়ানোর একটা চেষ্টায় আছি। ভ্যাট আইন বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যাতে বিস্তৃতি বাড়ে সেজন্য আবার চেষ্টা করছি। এটা বাস্তবায়নের জন্য ইএফডি মেশিন ক্রয়ের চেষ্টা চলছে।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]