• প্রচ্ছদ » প্রথম পাতা » নুসরাতকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার জন্যে ওসি মোয়াজ্জেমকে শাস্তি পেতেই হবে, বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী


নুসরাতকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার জন্যে ওসি মোয়াজ্জেমকে শাস্তি পেতেই হবে, বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আমাদের নতুন সময় : 10/06/2019

আনিস তপন : ফেনীর সোনাগাজি থানা এলাকার মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাত জাহানকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার জন্য ওই থানার তৎকালীন ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনের সংশ্লিষ্টতায় তার বিচার হবে। গতকাল রোববার সচিবালয়ের নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, অপরাধের সঙ্গে যেই জড়িত হোক, তাকেই শাস্তি পেতে হবে। সে ওসি হোক কিংবা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা হোক বা জনপ্রতিনিধি হোক। কাজেই এই ঘটনায় ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন যতটুকু অপরাধ করেছে এর জন্য শাস্তি তাকে পেতেই হবে।
প্রসঙ্গত, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় সাবেক ওসির বিরুদ্ধে ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনাল গত ২৭ মে পরোয়ানা জারি করেন। আদালতের নির্দেশে মামলাটির তদন্ত করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক হয়েছে দাবি করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তবে দু-একটি দূর্ঘটনা ঘটেছে। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। ঈদের সময় কোস্টগার্ড, পুলিশ, র্যাবসহ গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন।
সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, পাসপোর্ট ও ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা ঢেলে সাজানো হচ্ছে। ইমিগ্রেশনে নানা ধরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা হয় জানিয়ে তিনি বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে ট্রাভেল পাস নিয়ে অনেকে ফিরে আসছেন। তাছাড়া সিরিয়া বা বাগদাদে যারা যুদ্ধ করেছে এ ধরনের লোকও আমাদের দেশে চলে আসতে পারে এমন তথ্যও পাওয়া যাচ্ছে। সেজন্য ট্রাভেল পাস নিয়ে যারা আসছেন, তারা কোনো জঙ্গি দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল কি না তা নিশ্চিত করতেই একটু যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তারা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত না অন্য দেশের সেটা নিশ্চিত হতেই একটু কড়াকড়ি করতে হচ্ছে। সঙ্গত, কারণেই ট্রাভেল পাসধারীদের একটু ঝামেলা হচ্ছে। তবে পাসপোর্ট ও ইমিগ্রেশন ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে। কোথাও কোনো দুর্বলতা থাকলে সেগুলো সারিয়ে তুলতে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীকে আনতে যাওয়ার সময় বিমানের এক পাইলট পাসপোর্ট না নেয়ায় উদ্ভুত ঘটনা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তাদের ইমিগ্রেশন করার সময় পাসপোর্টে সিল দেয়া হয় না। শুধু একটা ডিক্লারেশন স্লিপ দেয়া হয়। এটা তারা ইমিগ্রেশনে জমা দেন। এমনকি যেখানে যান সেখানেও তারা শুধু স্লিপটা জমা দেন। তাতেই সব তথ্য থাকে। তারপরও পাইলটদের সঙ্গে পাসপোর্ট রাখার কথা। পাসপোর্টটা যখন যেখানে যেই চাইবেন তখনই তিনি সেটা দেখাতে বাধ্য। এ ক্ষেত্রে অভিযুক্ত পাইলট জানিয়েছেন তিনি ভুলক্রমে পাসপোর্টটা নিয়ে যেতে পারেননি। সেজন্যই এ ঘটনা ঘটেছে। এখানে কার কার দুর্বলতা রয়েছে, সেটা সরকার খতিয়ে দেখছে। এ ঘটনায় ইমিগ্রেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে বরখাস্ত ও অন্য জনকে বদলী করা হয়েছে। এখানে কার কার গাফিলতি রয়েছে তা খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]