নৌ প্রতিমন্ত্রী জানালেন, সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল ৩ গুণ বড় করা হবে

আমাদের নতুন সময় : 10/06/2019

আনিস তপন : সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালের আকার বাড়িয়ে ৩ গুণ করা হচ্ছে বলে সাংবাদিকদের জানালেন, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সদরঘাটের যে স্পেস, তাতে যাত্রীর চাপ সংকুলান হয় না। এরই মধ্যে আমরা একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছি, ফলে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালটি অনেক এক্সপান্ড হবে। তিনি বলেন, এখন সেখানে ২০টির মতো লঞ্চ পার্কিং করতে পারে যা দুই থেকে তিনগুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এটা সম্পন্ন হলে যাত্রীরা বিভিন্ন স্থান থেকে লঞ্চ ব্যবহার করতে পারবে, চাপ কমবে। এই প্রকল্প বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে কিছু কিছু ক্ষেত্রে দরপত্র আহবানের কার্যক্রম চলছে।
কবে নাগাদ এ প্রকল্প বাস্তবায়ন শেষ হবে জানতে চাইলে খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, এটা অনেক বড় বিষয়, আমরা পন্টুনগুলো তৈরি করছি। যা বসাতে ন্যূনতম দুই বছর সময় লাগবে। সদরঘাট ছাড়াও অন্যান্য ঘাটে যাত্রীসেবা বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।
নদীর সীমানা থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মেঘনা ও শীতলক্ষ্যায় অভিযান চলমান থাকবে। তবে দখল করা এলাকায় শুধু আবাসিক ভবনগুলো রোজায় উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ ছিল। শিগগিরই আবার চালু হবে জানিয়ে তিনি বলেন, যেখানে অবৈধ দখলদার সেটা যাচাই-বাছাই করে আমরা পদক্ষেপ গ্রহণ করব।
ঈদে নৌ-যাত্রীদের সেবা দেয়ার প্রসঙ্গে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, শতভাগ সফল না হলেও এতে আমরা সন্তুষ্ট।
ঈদে গার্মেন্ট শ্রমিকদের পর্যায়ক্রমে ছুটি দেয়ার জন্য মালিকদের অনুরোধ জানানো হয়েছিল জানিয়ে খালিদ মাহমুদ বলেন, একবারে ছুটি দেয়ার কারণে একসঙ্গে নৌ সেক্টর নয়, সড়ক এবং রেলের ওপর যাত্রীর চাপ পড়েছে। এ জন্য আমরা প্রস্তুত ছিলাম না। এতে একটা বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। ফলে এ জন্য কিছু জটিলতা হয়েছে। তবে ভবিষ্যতে আমরা এ বিষয়গুলোর প্রতি খেয়াল রাখার চেষ্টা করব।
ওয়াটারবাস নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে নৌ সচিব বলেন, পানিতে দুর্গন্ধের কারণে ওয়াটারবাসে যাত্রী যেতে চায় না। দ্রুতগতির কারণে দুর্ঘটনা ঘটে বলেও যাত্রী যেতে চায় না জানিয়ে তিনি বলেন, এজন্য নদীগুলো প্রশস্ত করে শিগগিরই ওয়াটারবাস চালু করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে নৌপরিবহন সচিব আবদুস সামাদ বলেন, টার্শিনালের পরিসর বাড়ানোর জন্য ৬৩৩ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রকল্পটির মূল কাজ চলতি জুনের শেষে বা আগামী জুলাইতে শুরু করা হবে। এজন্য দরপত্র আহবান করা হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় সদরঘাট টার্মিনালকে বাবুবাজার ব্রিজ থেকে পোস্তাগোলা ব্রিজ পর্যন্ত এবং জেলা অনুযায়ী আলাদা করে টার্মিনাল করতে দুই বছর সময় লাগবে। সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]