মেইনস্ট্রিম ও সোশ্যাল মিডিয়া কী জেন্ডার নিউট্রাল?

আমাদের নতুন সময় : 10/06/2019

আলী রীয়াজ : আমরা এমন একটি সময়ে বাস করি যখন মিডিয়া আমাদের জীবনের অনেক কিছুই নির্ধারণ করে দেয়। প্রযুক্তির কারণে মিডিয়ার ধরন বদলেছে। যোগাযোগ গবেষণায় যুক্তদের অনেকেই দাবি করেন যে, এখন হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ার যুগ। তার ইতিবাচক এবং নেতিবাচক দিক নিয়ে আলোচনা আছে, বিতর্ক আছে। কিন্তু মেইনস্ট্রিম মিডিয়াই হোক আর সোশ্যাল মিডিয়াই হোক… সেগুলো জেন্ডার নিউট্রাল কিনা সেই নিয়ে বিস্তর গবেষণা হয়েছে, এসব গবেষণার একটা বড় অংশেই দেখা যায় যে, মিডিয়ার জেন্ডার বায়াস নারীর বিরুদ্ধে। তার সবচেয়ে সহজ উদাহরণ হচ্ছে খেলাধুলার খবরাদি… স্পোর্টস নিউজ এবং মিডিয়াতে নারী খেলোয়াড়দের যে প্রতিকৃতি উপস্থাপন করা হয় সেটি। এ প্রসঙ্গে ২০১৬ সালেThe Impact of the Media on Gender Inequality within Sport শীর্ষক একটি গবেষণার সারাংশ উল্লেখ করা যায়। ইওইন জে ট্রোলেন লিখেছেন, Despite the prolific advancement of women sports and female athletes and the potential for strong women to be positive role models, the portrayal of these athletes in the media has been subjected to objectification and invisibility compared to male athletes or men’s sports. Though there has been tremendous growth and popularity of women sports, female athletes are still considered inferior to male athletes and that compared to male athletes there is still an obsession with the body of female athletes rather than on her athletic skills. This inequality within sport will continue to exist until the media re-examines it portrayal of female athletes. . আরেকটি গবেষণায় বলা হয়েছে, popular sports media, as a cultural enabler, reinforces the traditional hegemonic masculinity associated with sport.’ (Bethany Shifflett, Daniel Murphy, Farzaneh Ghiasvand, Monica Carlton, Marisa Cuevas, ‘Gender Bias in Sports-Media Analytics’)| নিউজিল্যান্ডের গণমাধ্যমের উপরে গবেষণার ফলাফলে দেখা যাচ্ছে যে, ‘female gold medalists receive less coverage on average across their career than male athletes that have not achieved the same level of success’। মিডিয়ার এই বায়াসের সাম্প্রতিকতম উদাহরণ হচ্ছে ফিফা আয়োজিত মহিলাদের বিশ্বকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতা এবং আইসিসি আয়োজিত বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতা। একই সময়ে অনুষ্ঠিত এই দুই প্রতিযোগিতার কভারেজ দেখলেই বোঝা যায়। ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত হচ্ছে মহিলাদের বিশ্বকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতা এবং ব্রিটেনে আইসিসি আয়োজিত বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতা। মিডিয়ার আরেকটা বড় কাজ হচ্ছে আমরা কি নিয়ে ভাববো সেটা নির্ধারণ করে দেয়া। সেই কারণেই আমার দেয়া একটা স্ট্যাটাস অনেকের কাছেই কূহেলিকাপূর্ণ মনে হয়েছে। লিখেছিলাম ‘বিশ্বকাপের দ্বিতীয় দিনের খেলাগুলোতেও কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি, যাদের জেতার কথা তারাই জিতেছে। এই খবরটা সম্ভবত আপনার নজরেই আসেনি। কেন আসেনি বুঝতে পারেন? কেনইবা অধিকাংশ গণমাধ্যমে শীর্ষ খবর তো দূরের কথা প্রায় অবহেলিত হয়েছে এই খবরটা? বিশ্বকাপের খেলা, তবু কেন অবহেলা? বুঝতে পারছেন কি? ঠিক মনে হচ্ছে?’ ২০১৫ সালে ইউনিভার্সিটি অব সাদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ার অধ্যাপক মাইকেল মেসনার এবং তার সহযোগীদের গবেষণার বিষয় ছিলো এর আগের পঁচিশ বছরে মার্কিন টেলিভিশনের খবর এবং খেলাধুলা বিষয়ক অনুষ্ঠানগুলো। তাদের সেই গবেষণার ফলাফলের ভিত্তিতে প্রকাশিত নিবন্ধের শিরোনাম ছিলো… ‘ওঃ’ং উঁফব ঞরসব!’ ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]