তিনবছরেও শেষ হয়নি মিতু হত্যা মামলার তদন্ত, ন্যায় বিচার নিয়ে হতাশ পরিবার

আমাদের নতুন সময় : 11/06/2019

মাসুদ আলম : চট্রগ্রামে সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যাকা-ের ৩ বছর পেরিয়ে গেলেও তদন্ত শেষ হয়নি। এমনকি আলোচিত এ হত্যাকা-ের রহস্যও উদঘাটন করতে পারেনি তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। হত্যাকা-ে জড়িত সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও এখনো অধরা মূল অভিযুক্ত নির্দেশদাতা মুসা শিকদার ওরফে আবু মুসা। এতোদিনেও মামলার তদন্ত শেষ না হওয়ায় ন্যায় বিচার নিয়ে হতাশ মিতুর বাবা-মা। মিতুর বাবা সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা মোশাররফ হোসেন বলেন, তদন্ত সংশ্লিষ্টরা মামলার বাদি ও মিতুর স্বামী বাবুল আক্তারকে বাঁচাতে চার্জশিট দিতে গড়িমসি করছেন। মামলার বাদিই যেখানে খুনি, ন্যায় বিচারের কী আশা করা যায়। আমি মিতুর বাবা, অথচ তদন্ত কর্মকর্তা আমার সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ করছে না। আমি কয়েকবার বলেছি মিতু হত্যার সাক্ষ্য তার দুই সন্তান হতে পারে, যে কারণে বাবুল তার সন্তানদের আমাদের সঙ্গে দেখা করতে দিচ্ছে না। আমাদের কাছ থেকে মিতুর সন্তানদের দূরে রাখা হচ্ছে। বাবুলের বেশ কয়েকজন বন্ধুদের নাম দিয়েছি তাদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি। বাবুলকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই মিতু হত্যার রহস্য বেরিয়ে আসবে। ২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে চট্রগ্রামের জিইসি মোড়ে ছেলেকে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার পথে বাসার অদূরে গুলি চালিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয় মিতুকে।
মুসার স্ত্রী পান্না আক্তারের দাবি, মিতু খুন হওয়ার পরপরই বন্দর থানার কাটগড় এলাকা থেকে পুলিশ তার স্বামীকে ধরে নিয়ে গেছে। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিলো না। মুসা অপরাধ করলে তার আদালতের মাধ্যমে বিচার হোক।
চট্রগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) ও তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, আলোচিত হত্যাকা- হওয়ায় তদন্তে সময় লাগছে। সময় বেঁধে কোনো তদন্ত কাজ শেষ করা যায় না। অতিদ্রুত তদন্ত শেষ করে চার্জশিট দেয়া হবে। সম্পাদনা : রেজাউল আহসান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]