তিলোত্তমা কাহিনি

আমাদের নতুন সময় : 11/06/2019

মাসুদ রানা

আমরা অনেক সময় সুন্দরী নারীকে ‘তিলোত্তমা’ বলি, কিন্তু আমাদের মধ্যে অনেকেই হয়তো অবগত নন যে, হিন্দু পৌরাণিক কাহিনী মতে, এই তিলোত্তমাকে সৃষ্টি করা হয়েছিলো ষড়যন্ত্রমূলক উদ্দেশ্য থেকে। তাই, তিলোত্তমার কাহিনীটি নীচে বর্ণনা করছি।
মহাভারতের কাহিনী অনুসারে, সুন্দ ও উপসুন্দ নামের মহাশক্তিধর ও অবিচ্ছেদ্য সুসম্পর্কের দুই দানব-ভ্রাতাকে ব্রহ্মা বর দিয়েছেন এই মর্মে যে, কেউ তাদেরকে আঘাত করতে পারবে না তারা নিজেরা ছাড়া। কিন্তু সুন্দ ও উপসুন্দের অত্যাচারে যখন দেবতাগণ স্বর্গ বিতাড়িত হয়ে ব্রহ্মার কাছে শরণার্থী হলেন, তিনি তখন বিশ্বকর্মাকে নির্দেশ দিলেন সুন্দ ও উপসুন্দের মধ্যে দ্ব›দ্ব সৃষ্টি করতে পারে এমন একজন সুন্দরী অপ্সরা সৃষ্টি করতে। বিশ্বকর্মা যখন স্বর্গ, মর্ত্য ও পাতাল থেকে শ্রেষ্ঠতম উপাদান ও শ্রেষ্ঠতম রতœ তিল তিল সংগ্রহ করে শ্রেষ্ঠতম অপ্সরা সৃষ্টি করলেন, ব্রহ্মা তার নাম দিলেন ‘তিলোত্তমা’ এবং তাকে নির্দেশ দিলেন সুন্দ ও উপসুন্দের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির। সুন্দ ও উপসুন্দ যখন বিন্ধ্যা পর্বতে এক নদীর তীরে নারী-সঙ্গম ও মদ্যপান বেসামাল, তখন তাদের সামনে পুষ্পোত্তলনে আবির্ভূত হলো তিলোত্তমা। তিলোত্তমাকে দেখে মুগ্ধ সুন্দ ও উপসুন্দ উভয়ই তাকে একান্ত নিজের মতো করে চাইলো। তিলোত্তমাকে নিজের করে পেতে দুই ভাইয়ের একজন তার ডান ও অন্যজন বাঁ হাত ধরে নিজের দিকে আকর্ষণ করতে লাগলো, এবং শেষপর্যন্ত একে অপরের ওপর গদা দিয়ে আঘাত করে পরস্পরকে হত্যা করলো। তিলোত্তমার গল্পটি মূলত : নারদ বলেছিলনে পঞ্চপাÐবকে এই মর্মে সাবধান করে দিতে যে, দ্রৌপদীকে নিয়ে পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে যেনো কোনো প্রতিযোগিতা না বাঁধে এবং সবাই যেনো মিলেমিশে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে ভোগ করেন। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]