• প্রচ্ছদ » আমাদের বাংলাদেশ » বাজারের ১৬ ভাগ পণ্য মানসম্মত নয়, ঢালাওভাবে জনস্বাস্থ্যের হুমকি বলা যাবে না, বললেন পুষ্টি পরিচালক


বাজারের ১৬ ভাগ পণ্য মানসম্মত নয়, ঢালাওভাবে জনস্বাস্থ্যের হুমকি বলা যাবে না, বললেন পুষ্টি পরিচালক

আমাদের নতুন সময় : 11/06/2019

মতিনুজ্জামান মিটু : এসব নিয়ে হৈচৈ ফেলে দেয়ার মতো কিছু হয়নি। শতভাগ পণ্যের মান নিশ্চিতের প্রয়োজনীয় অবকাঠামো দেশে আছে কি নেই তাও ভেবে দেখতে হবে। তবে দই, ঘি ও চানাচুরসহ বিভিন্ন পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিতে আরো সতর্ক থেকে মনিটর জোরদার করা দরকার বললেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের পুষ্টি ইউনিটের পরিচালক ড. মো. মনিরুল ইসলাম।

রোজার মধ্যে বিএসটিআই বাজারে পাওয়া বিভিন্ন কোম্পানির মরিচ, ধনিয়া ও হলুদের গুড়া, আয়োডিনযুক্ত লবণ, কারি পাউডার, লাচ্ছি সেমাই, দই, ঘি, সুজি, সরিষার তেল, চিপস, কোমল পানীয়, নুডুলস ইত্যাদি পণ্যের ৪০৬টি নমুনা সংগ্রহ এবং ল্যাবরেটরিতে ৩১৩টি পণ্য পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দেয়। পরীক্ষিত পণ্যের মধ্যে ৫২টিতে অর্থাৎ ১৬ ভাগে বিএসটিআই নিধারিত গুণমান বজায় ছিলো না। এসব পণ্যের মধ্যে অ্যাশ বা ছাই, আর্দ্রতা, চর্বি, অ্যাসিড ভ্যালু, আয়রন ইত্যাদি বেশি পাওয়া যায় বলে প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়। যাকে জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি বলবো না।

তিনি আরো বলেন, সরিষায় প্রাকৃতিকভাবেই আয়রন বেশি থাকে। ঘি, দই জাতীয় খাবারের মান ভালোভাবে নিশ্চিত হয়ে বর্জন করাই শ্রেয়। চানাচুরসহ ১৮০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড বা তারো বেশি তাপমাত্রায় প্রস্তুত খাবারগুলোতে অ্যক্রিলামাইড তৈরি হয়। যা দুরারোগ্য ক্যান্সার সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখে। এছাড়া নি¤œমানের চর্বি জাতীয় তেল ব্যবহার করে চানাচুরসহ এই জাতীয় খাবার তৈরি করা হয়। যা জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি।

পুষ্টি ইউনিটের পক্ষ থেকে বাজারের লবণের নমুনা সংগ্রহ করে মান যচাইয়ের জন্য সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট আসেনি। সম্পাদনা : রেজাউল আহসান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]