এসি এবং দোজখ!

আমাদের নতুন সময় : 12/06/2019

আকতার বানু আল্পনা

আমেরিকান বিজ্ঞানী উইলিস ক্যারিয়ার ১৯০২ সালে এসি আবিষ্কার করেন। আমার ধারণা, মানুষের আরাম-আয়েশের জন্য এ পর্যন্ত যা কিছু আবিষ্কার করা হয়েছে তার মধ্যে এসি প্রথমদিকে থাকবে। আবিষ্কারের পর থেকে এটি প্রতিটি ধর্মের কোটি কোটি ধার্মিক মানুষকে বা নাস্তিকদের প্রতিনিয়ত তীব্র শীত বা গরম থেকে রক্ষা করে চলেছে। রাতের আরামের ঘুম বা আরামে দীর্ঘ সময় কাজ বা ইবাদত করতে এসির ভ‚মিকা অতুলনীয়। আমার মাঝে মাঝে খুব জানতে ইচ্ছা করে, এসি আবিষ্কার করা এই বিজ্ঞানী কি বেহেশতে যাবে? কোটি কোটি মানুষকে আরাম দিয়েছে (বা দিচ্ছে বা দেবে) যে লোকটা, সে নিজে কি মৃত্যুর পর দোজখের আগুনে পুড়বে? নাকি আরামে থাকবে? আরামে থাকার কথা নয়। কারণ বিধর্মীদের বেহেশত হারাম। তাই ক্যারিয়ারে যতো ভালো কাজই করুক না কেন যেহেতু সে অমুসলিম, তাই ইসলাম ধর্মমতে সে বেহেশতে যাবে না। অথচ শত শত জঘন্য সব অপরাধের হোতারা শুধু ‘মুসলিম’ হওয়ার কারণে কোনো না কোনো একসময় ঠিকই বেহেশতে চলে যাবে! এজন্যই নামাজ পড়তে পড়তে কপালে কড়া পরা, দাড়িওয়ালা লোকটাও ঘুষ খায়, অন্যায় করে! হাফেজ বা হুজুররাও ধর্ষণ করে, মাদক ব্যবসাসহ নানা অপরাধ করে! সারাজীবন নানা আকাম-কুকাম করা লোকটা শেষ বয়সে হজ করে এসে ধার্মিক সাজে!
আমি চাই, ক্যারিয়ারের মতো মানুষগুলো যারা নানাভাবে মহান আল্লাহর সৃষ্টির সেবা করেছে, উপকার করেছে, তারা যেন বেহেশত না পেলেও অন্তত শাস্তি না পায়। আমি নিজে এ পৃথিবীর মানুষদের জন্য কি করেছি? আমাকে দিয়ে এ পৃথিবীর কার, কি, কতোটুকু উপকার হয়েছে? আদৌ হয়েছে কি? ক্যারিয়ারের সঙ্গে আমরা আমাদের নিজেদের অবদান তুলনা করলেই পার্থক্যটা বুঝতে পারবো। শিক্ষকদের অবস্থা নিয়ে একটা কৌতুক শুনুন। শিক্ষক : লোকে শুনতে চায় না তবু অনর্গল কথা বলে যায়, এমন একজন বক্তার নাম বলো। ছাত্র : আপনি নিজে স্যার। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]