• প্রচ্ছদ » » ‘কোনো রেপিস্টের সঙ্গে কখনো কথা হয়েছে কিনা’?


‘কোনো রেপিস্টের সঙ্গে কখনো কথা হয়েছে কিনা’?

আমাদের নতুন সময় : 12/06/2019

দৃষ্টি দিজা

‘কোনো রেপিস্টের সঙ্গে কখনো কথা হয়েছে কিনা’Ñ পোস্টের উত্তরে ফ্রেন্ডলিস্টের বাইরের একজন আদারবক্সে দিয়েছিলেন, ১১ জুন দেখলাম।… একবার জেলখানাতে এক রেপিস্টের সঙ্গে কথা বলেছিলাম। ব্যাক্তিগতভাবে আমি রেসিস্টদের খুব ঘৃণা করি, কিন্তু ওর সঙ্গে যেচে কথা বলেছিলাম। আসলে আমি অবাক হচ্ছিলাম যে মানুষটা একটা মেয়েকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যা করলো সে মাত্র ১ বছর জেলে থাকার পর ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়েছে… সগর্বে সবাইকে তার জামিনের কথা জাহির করতে দেখেই আমি তার সাইকোলজি বুঝতে কথা বলেছিলাম। স্পষ্ট মনে আছে আমার দেয়া বেনসন সিগারেট আয়েশ করে টেনে ও কি বিচ্ছিরি রকমের আত্মতৃপ্তি আর অহংকার নিয়ে কথা বলছিলো। এক্সপ্রেশন দেখে মনে হচ্ছিলো যেন ও যেটা করেছে সেটাই করা উচিত ছিলো। আমি যখন জানতে চাইলাম সে সত্যি রেপ করেছে কিনা? ও দাঁত কেলিয়ে সগৌরবে বললো মেয়েটাকে কিডন্যাপ করে টানা তিনদিন পরিত্যক্ত এক বাড়িতে আটকে রেখে তিনজন মিলে অন্তত ত্রিশবারের বেশি ধর্ষণ করেছে… রেপ কেন করলে? আরে মাগীর এতো দেমাগ।
আমি দুই বছর কুকুরের মতো ঘুরেছি হাজার চেষ্টা করেছি ওর সঙ্গে প্রেম করতে, কিন্তু আমাকে পাত্তা না দিয়ে ও আরেকজনের সঙ্গে প্রেম করলো। আমি একদিন রাস্তায় জোর করে কথা বলতে চাওয়াতে চড় মারলো। দিলাম ওর সব দেমাগ (পরের কথাগুলোর ভাষা আমি লিখতে পারবো না) নোংরা ভাষায় ধর্ষণের বিবরণ দিচ্ছিলো। যখন জিজ্ঞেস করলাম হত্যা করলে কেন? তখন বললো বাবা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করবেন। মামার পদোন্নতি পেয়ে পুলিশ কমিশনার হবার কথা। রেপের ব্যাপারটা জানাজানি হলে খুব খারাপ হতো তাই মেরে ফেলেছিলাম। তা অমন বীভৎসভাবে জবাই করে কেন মারলে? উত্তরে বললো মাগী আমাকে খুবই ঘৃণ করতো… শান্তিতে করতে তো দেয়নি আঁচড়ে খামচে মুখে দাগ ফেলে দিয়েছে। মুখে যখন থুতু ছিটিয়ে দিলো তখনই ওকে জবাই করার ডিশিসন নেই যেন কষ্ট পেয়ে মরে। তখনই সঙ্গী দুটোর ইচ্ছা পূরণের জন্য ওদের হাতে একবেলার জন্য মাগীকে ছেড়ে দিই এবং রাতের বেলা জবাই করি।
কথাগুলো একদম তার বয়ান হুবহু তুলে ধরলাম। আমি তিন মাসের মতো জেলে ছিলাম। একই রুমে থাকতাম। সে গোপালগঞ্জের এক নামকরা কলেজের ছাত্র এবং ছাত্র রাজনীতিতে যুক্ত ছিলো… আমিও ছাত্র রাজনীতির কবলে পড়ে অস্ত্র মামলায় জেল খাটছিলাম তাই প্রথমে সখ্য হয়েছিলো… তার কাছ থেকে কথাগুলো শুনতে অনেক কষ্ট করতে হয়েছিলো… গাঁটের পয়সা খরচ করে তাকে খুশি করতে করতে তার ভেতরের কথাগুলো শুনেছিলাম। তার মামার ক্ষমতায়… জেল থেকে বের হয়ে সে বর্ডার ক্রস করে নদীয়া চলে যায় সেখান থেকে কীভাবে যেন ভারতের পাসপোর্ট বানিয়ে ফ্রান্স চলে গেছে… ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]