মানুষনামা, সার সংক্ষেপ

আমাদের নতুন সময় : 12/06/2019

ইকবাল আনোয়ার

প্রথমে মানুষ ছিলো যাযাবর। তারা ফলমূল সংগ্রহ করে ও শিকার করে খেতো। সংগ্রহ ও শিকারে ঘাটতি হওয়ায় ও কালে কালে মানুষের চর্চা ও মেধার উন্নয়নের ফলে পরস্পরের মধ্যে যোগাযোগ বিকশিত হওয়ায় কৃষির দিকে মানুষ এগোয় এবং যাযাবর থেকে গুচ্ছবদ্ধ হয়ে থাকা শুরু করে। কৃষিতে প্রকৃতির উপর নির্ভরতা বেশি। কখনো উদ্বৃত হয় কখনো টান পড়ে। তাই প্রয়োজন দেখা দিলো শস্য মওজুদের। শস্য মওজুদ, বণ্টন, পরিকল্পনা, পরিচালনার জন্য একটি শ্রেণি কৃষিতে সরাসরি না এসেও গুদামে কাজ করা শুরু করে। তাদের কাছে সমাজের নিয়ন্ত্রণ ভার চলে যায়। এভাবে সৃষ্টি হয় শ্রেণি ও শ্রেণি বৈষম্য। কিন্তু এর আগে বিশেষ করে সংগ্রাহক-শিকারী জীবনে মানুষের সমাজ ছিলো সুসম বণ্টন ও সাম্যতা ভিত্তিক। শ্রেণির সৃষ্টির ফলে কৃষি শ্রমিক ও কৃষি তদারকি ও বণ্টন শ্রেণির পার্থক্য থেকে অনাচার শুরু হয়। এভাবে মানুষের শ্রমের ফল ভোগ করে আরেক শ্রেণির মানুষ। কৃষি দাস, নারী দাস, শ্রমিক-মালিক সম্পর্ক মানুষকে শোষক ও শোষিত ধারায় নিক্ষেপ করে। অন্যায়-অবিচার শুরু হয়। ক্ষমতা বেশি বলে গুদাম রক্ষককে পুরোহিত ভাব হয় ও গুদামকে ঘিরে মন্দির প্রতিষ্ঠিত হয়। গ্রাম থেকে নগর সভ্যতার দিকে যাত্রা শুরু হওয়ারকালে শক্তিধর ও ক্ষুদ্র শ্রেণিটিকে শোষণ ও শাসন করার জন্য রাষ্ট্রযন্ত্র ও অস্ত্রবহনকারী একদল আজ্ঞাবহ শ্রেণি তৈরি হয়। তারা তৈরি করে আইন-কানুন, যেন এ আইনের দ্বারা সংখ্যায় বেশিজনকে নিবৃত্ত ও নিয়ন্ত্রণ করা যায়। অতি সংক্ষেপে এই হলো মানুষের অদ্যাবধি জীবন। দেখা যাচ্ছে মানুষ যখন কথিত বর্বর ছিলো তখনই তাদের মধ্যে সাম্য সমতা শান্তি ছিলো। সভ্যতার সমান্তরাল হয়ে শোষণ অন্যায় অশান্তি চালু হয়েছে। বিভিন্ন ফরমেটে। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]