‘মি টু’র পর এবার নারীদের আন্দোলনের নাম ‘কু টু’

আমাদের নতুন সময় : 13/06/2019

দেবদুলাল মুন্না : কিছুদিন আগেই যৌন হেনস্থার প্রতিবাদে ‘মি টু’ আন্দোলনে সামিল হয়েছিলেন বিশ্বের হাজার হাজার নারী। এখন এ মুভমেন্টের জোয়ার কমতে না কমতেই শুরু হয়েছে ভিন্ন প্রতিবাদ। এ প্রতিবাদের নাম ‘কু টু’ (#কঁঞড়ড়)। ‘কু টু’ নামের এই প্রতিবাদ আসলে হাইহিল পরে অফিসে আসার অলিখিত ‘বাধ্যতামূলক’ নিয়মের বিরুদ্ধে আর এই ‘কু টু’ আন্দোলনে সামিল হয়েছেন ২০ হাজারেরও বেশি জাপানী নারী। ২৫ হাজারেরও বেশি মানুষ সমর্থন জানিয়েছেন এই প্রতিবাদকে। গত বুধবার থেকে জাপানে শুরু হয়েছে ‘কু টু’ মুভমেন্ট। এই প্রতিবাদী আন্দোলনের নেতৃত্বে রয়েছেন জাপানের ইশিকাওয়া । টুইট করে ইশিকাওয়া জানান, যখন তিনি চাকরি করতেন, তাকেও তখন হাইহিল পরতে বাধ্য করা হয়েছিল আর সে অভিজ্ঞতা ছিল অত্যন্ত অস্বস্তিকর। ইশিকাওয়ার এই টুইটটি ৩০ হাজারেরও বেশি শেয়ার হয়। এর পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘কু টু’ রীতিমতো ভাইরাল হয়ে যায়।

কাজের জায়গায় পোশাকবিধিতে নারীদের হাইহিল পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে জাপানের বেশির ভাগ কর্পোরেট সংস্থায়। আর এই ‘ড্রেস কোড’র জেরে নিয়মিত হাই হিল জুতো পরে ক্রমশ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন অসংখ্য নারী। ঘণ্টার পর ঘণ্টা হিল জুতো পরার ফলে গোড়ালি, হাঁটু, পিঠ বা মেরুদ-ের  নানা সমস্যায় ভুগছেন হাজার হাজার নারী। কাজের জায়গায় পুরুষদের জুতার হিল নিয়ে যখন কোনো বিধি-নিষেধ নেই, তাহলে নারীদের হাইহিল পরা বাধ্যতামূলক হবে কেন?

কাজের জায়গায় এই লিঙ্গ বৈষম্যের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন হাজার হাজার নারী। কাজের জায়গায় নারীদের হাইহিল পরা এবং তার জন্য নানান শরীরিক অসুস্থতা নিয়ে প্রথম সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হন জাপানের এক লেখিকা, ইউমি ইশিকাওয়া। নিজের অনলাইন পিটিশনে তিনি লিখেছেন, কত ক্ষণে কাজ শেষ হবে আর পা থেকে হাইহিল জুতো খোলা যাবে, এই অপেক্ষাতেই থাকেন নারীরা। সম্পাদনা : আবদুল অদুদ




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]