• প্রচ্ছদ » প্রথম পাতা » হিউম্যান রাইটস ওয়াচের উদ্বেগ, বাংলাদেশে গুম হওয়া ব্যক্তিদের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি আর কতদূর?


হিউম্যান রাইটস ওয়াচের উদ্বেগ, বাংলাদেশে গুম হওয়া ব্যক্তিদের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি আর কতদূর?

আমাদের নতুন সময় : 13/06/2019

লিহান লিমা: সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে গুম হওয়া ব্যক্তিদের ন্যায়বিচার প্রাপ্তির দীর্ঘসূত্রিতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। তারা জানায়, এইসব গুমের ইস্যুতে সরকারের দায়বদ্ধতা প্রয়োজন।

মঙ্গলবার সংস্থাটির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, চট্টগ্রাম উপত্যকার সংখ্যালঘু ও উপজাতিরা দীর্ঘদিন ধরেই মানবাধিকার লঙ্ঘন ও জোরপূর্বক উচ্ছেদের শিকার। ১৯৯৬ সালের ১২জুন গুম হওয়া কল্পনা চাকমার মামলা নিয়ে সরকারের নির্দেশিত বিচার বিভাগীয় কমিশন তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিলেও তা আজও প্রকাশিত হয় নি। ১৪ বছরেও চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিতে পারে নি স্থানীয় পুলিশ। উপরুন্তু ২০১৬ সালে রাঙামাটি পুলিশ আদালতে প্রমাণের অভাবে মামলাটি বন্ধ করার সুপারিশ করে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের প্রতিবেদনে বলা হয়, অধিকার কর্মী ও সমালোচকদের গুম বাংলাদেশে একটি সাধারণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। অথচ রাষ্ট্রকর্তৃক কোন ব্যক্তির এই অধিকার লঙ্ঘন ও স্বাধীনতা খর্ব করা আন্তর্জাতিক আইনে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।  গুম হওয়া ব্যক্তিদের কাউকে কয়েক মাস গোপন জায়গায় আটক রাখার পর ছেড়ে দেয়া হলেও কর্তৃপক্ষ তদন্ত এবং এর জন্য দায়ী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে দায়বদ্ধতার আওতায় আনতে ব্যর্থ হয়েছে। বাংলাদেশের মানবাধিকার বিষয়ক সংস্থা ‘অধিকার’ জানায়, শুধুমাত্র ২০১৮ সালেই নিরাপত্তা বাহিনীকর্তৃক জোরপূর্বক গুমের সংখ্যা ৯০। ৯ এপ্রিল গুম হন উপজাতিদের অধিকার নিয়ে কাজ করা মাইকেল চাকমা। পরিবারের শঙ্কা, তাকেও কল্পনার পরিণতি বরণ করতে হয়েছে। বাংলাদেশ সরকার ও কর্তৃপক্ষের উচিত কল্পনা ও মাইকেলসহ ২০১৩ সাল থেকে গুম হওয়া ব্যক্তিদের নিয়ে স্বচ্ছ তদন্ত চালানো।

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]