• প্রচ্ছদ » » পিতাকে দেবতা স্থানীয় পিতা না জেনে মানুষ হিসেবে জানুক তার সন্তানেরা


পিতাকে দেবতা স্থানীয় পিতা না জেনে মানুষ হিসেবে জানুক তার সন্তানেরা

আমাদের নতুন সময় : 18/06/2019

মুইজ মাহফুজ

আমরা জানি, ঘুষ ও দুর্নীতিতে ছেঁয়ে যাওয়া একটি দেশের চাকরিরত পিতা কীভাবে বাড়ি-গাড়ি করেন, পরিবার সামলান, ছেলে-মেয়েদের প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির বিশাল অঙ্কের বিল দেন। সন্তানের মুখ চেয়ে ঘুষ খাওয়া বাবাটির কারণেই হয়তো অন্য আরেক সন্তানের বাবাটিকে দায়িত্বহীন মনে হয়। বাবা দিবসে ওই দুর্নীতিবাজ এবং ধনী বাবাটিই হয়তো আজ সবচেয়ে দায়িত্বশীল বলে বিবেচিত হবেন। আগে দেখতাম ভরা রোদে পুড়ে পুড়ে ট্রাফিক পুলিশ পিতাকে চাঁদাবাজি করতে, হয়তো তাদের ডিউটি প্রকাশ্যে রাস্তায় পড়তো বলেই তাদের চাঁদাবাজিটা বেশি চোখে পড়তো। সেদিন এক পাঠাও চালক বললো, পুলিশ আর এখন ঘুষ খায় না! আমি চমকে উঠে জিজ্ঞেস করলাম , কেন? সে বললো, এখন যেকোনো হেলমেটবিহীন বাইকারকে ৪শ টাকার মামলা দিলে আড়াইশ টাকা পুলিশ ও তার ইউনিট পেয়ে থাকে। আমি মনে মনে বললাম, তাহলে আমলা আর বড় সরকারি অফিসারদের জন্য না জানি কতো আধুনিক নিয়ম বের করছে রাষ্ট্র।
এ কথা স্পষ্ট, সারাদিনে পিতার অনুপস্থিতিতে অভ্যস্ত সন্তান সন্ধ্যার পরে পিতাকে দেখলে অস্বস্তিবোধ করে, কেননা বেশিরভাগ পিতাই বিয়ের পরে পুরুষতন্ত্রের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আবেগহীন হয়ে পড়েন, এই পৃথিবীতে রাষ্ট্রের অত্যাচারে সব সময় অসহিষ্ণু, রাগী, সন্তানের প্রতি নির্মম, এমন বাবারা শান্তি খুঁজে পাক। পুঁজিবাদী পরিবারতন্ত্রের নির্মম বলি আমাদের এই পিতারা। পিতারা মহান হওয়া থেকে মুক্তি পাক। তারাও আমাদের সাথে ক্রিকেট খেলুক, ফুটবল খেলুক, লুডু , খেলুক, উদাস হয়ে সাত দিন বই পড়ুক, গিটার বাজাতে থাকুক। পিতাকে দেবতা স্থানীয় পিতা না জেনে মানুষ হিসেবে জানুক তার সন্তানেরা। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]