• প্রচ্ছদ » সর্বশেষ » অভিযোগ পেলেই ডা. শওকতের রেজিস্ট্রেশন বাতিল, জানালেন বিএমডিসি সভাপতি


অভিযোগ পেলেই ডা. শওকতের রেজিস্ট্রেশন বাতিল, জানালেন বিএমডিসি সভাপতি

আমাদের নতুন সময় : 19/06/2019

উপযুক্ত বিচারের দাবি স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ

স্বপ্না চক্রবর্তী : এখন থেকে আর পপুলার হাসপাতালের আর কোনো শাখাতেই প্র্যাকটিস করতে পারবেন না তরুণীকে লাঞ্ছিত করা চর্ম ও যৌনরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মো. শওকত হায়দার। হাসপাতাল বা ভিকটিমের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেলে বিএমডিসির রেজিস্ট্রেশনও বাতিল করা হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ মেডিকেল এ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) সভাপতি অধ্যাপক এম শফিউল্লাহ। এদিকে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ডা. ইকবাল আর্সনাল দোষী চিকিৎসকের উপযুক্ত বিচারের দাবি জানিয়েছেন। অভিযোগ না পাওয়া গেলে বিএমএ এর স্ব উদ্যোগে এর বিচার করার দাবি জানান তিনি।

পপুলার হাসপাতালের মানবসম্পদ ও প্রশাসন বিভাগের প্রধান অচিন্ত্যকুমার নাগ জানান, গত শনিবার ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নারী শিক্ষার্থীকে চিকিৎসা দেবার নাম করে তার গালে চুমু খান ডা. শওকত হায়দার। ওই ঘটনার প্রেক্ষিতে হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিষদের সমন্বয়ে ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে একটি তদন্ত কমিটি হয়েছিলো। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে আমাদের প্রধান শাখাসহ দেশের সবগুলো শাখাতেই প্র্যাকটিস করতে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ওই চিকিৎসক আমাদের এখানে একজন ডাক্তারের সাথে চেম্বার ভাগ করে রোগী দেখতেন। আমাদের কোনো কর্মী না। যেহেতু তিনি আমাদের কর্মী না সেহেতু তার বিরুদ্ধে আমরা এর বাইরে আর কোনো ব্যবস্থা নিতে পারবো না।

এ ব্যাপারে বিএমএ সভাপতি অধ্যাপক এম শফিউল্লাহ বলেন, এখনো আমাদের কাছে ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ আসে নি। যদি অভিযোগ আসে আমরা এরকম ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটানোর জন্য ওই চিকিৎসককে কঠিন শাস্তির আওতায় নিয়ে আসবো।

তবে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একজন চিকিৎসককে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের যেসব শর্ত পূরণ করে আসতে হয় তাতে স্পষ্ট লেখা রয়েছে চিকিৎসকের সঙ্গে রোগীর কোনো ‘অনৈতিক সম্পর্ক’ থাকতে পারবে না। এটা স্পষ্টত নীতিমালা বিরোধী। কিন্তু একইসঙ্গে কেউ সে নীতিমালা ভঙ্গ করলে তার বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে সে বিষয়ে কিছু লেখা নেই।

এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য অধিকার আন্দোলনের সভাপতি ডা. রশীদ-ই মাহবুব জানান, অনৈতিকতার কারণে বিএমডিসি যে কাউকে শাস্তি দিতে পারে। এছাড়া ভুক্তভোগী চাইলে তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করতে পারে।

কিন্তু যৌন হয়রানির অভিযোগে কোনো চিকিৎসক অভিযুক্ত হলে বিএমডিসির নীতিমালায় তার বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া যাবে সে সর্ম্পকে কিছু বলা নেই প্রশ্নে তিনি বলেন, এটা যে অনৈতিক সেটা তো বলাই আছে। এই বিষয়গুলো বৈশ্বিকভাবেই চিকিৎসকদের জন্য প্রযোজ্য। কিন্তু সেটা বাংলাদেশে যদি প্রয়োগ না হয় বা ফলো করে কিংবা করা হয় কিনা সেটা ভিন্ন ব্যাপার। সম্পাদনা : ইকবাল খান

 

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]