• প্রচ্ছদ » সর্বশেষ » শামুক ঝিনুক খাওয়ায় অভ্যস্ত হতে পারলে মাংসের ওপর চাপ কমবে, সুস্থ থাকবে শরীর, আসবে বৈদেশিক মূদ্রা


শামুক ঝিনুক খাওয়ায় অভ্যস্ত হতে পারলে মাংসের ওপর চাপ কমবে, সুস্থ থাকবে শরীর, আসবে বৈদেশিক মূদ্রা

আমাদের নতুন সময় : 19/06/2019

মতিনুজ্জামান মিটু : বাংলাদেশের বিপুল জলরাশি বিভিন্ন ধরনের মাছ ও অন্যান্য জলজ প্রাণিতে ভরপুর। বাংলাদেশের স্বাদপানি ও লোনাপানিতে ১৬ প্রজাতির ঝিনুক পাওয়া যায়। ঝিনুকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার হলো মুক্তা তৈরী। ঝিনুকের খোলস থেকে চুন তৈরী এবং ঝিনুকের মাসল অংশ হাঁস-মুরগীর খাবার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বিশ্বের অনেক দেশে ঝিনুকের মাংসল অংশ প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাংলাদেশে সাধারণত: আদিবাসী জনগোষ্ঠীরা ঝিনুকের মাংসল অংশ খেয়ে থাকে। রপ্তানীতেও আয় হতে পারে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) উর্দ্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশে ঝিনুক ও শামুক সংরক্ষণ,  পোনা উৎপাদন এবং চাষ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান জানালেন, শামুক ঝিনুক এবং ওয়েস্টার বাণিজ্যিক গুরুত্বসম্পন্ন অপ্রচলিত জলজসম্পদ।

বাংলাদেশে খাবার হিসেবে এদের তেমন প্রচলন না থাকলেও পুষ্টিগুণ বিচারে এদের গুরুত্ব অপরিসীম। শামুক ও ঝিনুকে খুব অল্প পরিমাণে চর্বি এবং উচ্চ প্রোটিন থাকায় মানবদেহের জন্য খুবই উপকারী। তাই মাংসের পরিবর্তে দেশের জনগণকে শামুক ঝিনুক দিয়ে তৈরী খাবারে অভ্যস্ত করা গেলে একদিকে যেমন মাছ মাংসের ওপর বাড়তি চাপ কমবে তেমনই শরীরও সুস্থ থাকবে। অপরদিকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শামুক ও ঝিনুকের বেশ চাহিদা থাকায় রপ্তানীতে অধিক বৈদেশিক মূদ্রা অর্জন করা সম্ভব। তিনি জানান, শামুক ঝিনুকে উচ্চমাত্রায় প্রোটিন, গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন, খনিজ পদার্থ এবং ওমেগা-৩ এবং  ওমেগা-৬ ফ্যাটি এসিড রয়েছে। যা হৃদ রোগের ঝুঁকি কমায়, চোখ ভাল রাখে, মানসিক দুশ্চিন্তা ও উত্তেজনা কমায় বিশেষ করে শিশুদের মস্তিস্কের উৎকর্ষতা সাধনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে। উন্নত দেশেগুলোতে মাছ মাংসের পাশাপাশি শামুক ঝিনুক খুবই জনপ্রিয় এবং অধিক চাহিদা সম্পন্ন খাবার। বাংলাদেশে শুধুমাত্র আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ শামুক ঝিনুক খেতে অভ্যস্ত। সম্পাদনা : ওমর ফারুক

 

 

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]