• প্রচ্ছদ » লিড ১ » সবকিছুতে প্রধানমন্ত্রী হস্তক্ষেপ করতে হলে সচিবদের থাকার দরকার কী, বললেন হাইকোর্ট


সবকিছুতে প্রধানমন্ত্রী হস্তক্ষেপ করতে হলে সচিবদের থাকার দরকার কী, বললেন হাইকোর্ট

আমাদের নতুন সময় : 19/06/2019

নূর মোহাম্মদ : মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বাজার থেকে জব্দ করে একমাসের মধ্যে ধ্বংস করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রেতা, সরবরাহকারী ও সংরক্ষণকারীদের শনাক্ত করতে কমিটি গঠন করতে বলেছেন আদালত। জনস্বার্থে করা এ সংক্রান্ত রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে গতকাল মঙ্গলবার বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদেশ বাস্তবায়ন করে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

এছাড়া মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি ও সংরক্ষণ বন্ধে নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। স্বাস্থ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন সচিব, বাণিজ্য সচিব, শিল্প সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও উপ পরিচালক, পুলিশের মহাপরিদর্শক, বাংলাদেশ ওষুধ শিল্প সমিতির সভাপতি এবং মহাসচিবকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এর আগে গত ১০ মে এক অনুষ্ঠানে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার বলেন, ঢাকা শহরের ৯৩ শতাংশ ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখা হয়। পরে এ বিষয়ে সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করে জাস্টিস ওয়াচ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক আইনজীবী মাহফুজুর রহমান মিলন রিট করেন।

গতকাল মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ নিয়ে আবেদনের শুনানির এক পর্যায়ে রিটকারী পক্ষের আইনজীবী এবিএম আলতাফ হোসেন আদালতের উদ্দেশে বলেন, আড়ংয়ে সাতশ টাকার পাঞ্জাবি কত টাকা রেখেছে দেখেছেন? এটা যে বন্ধ করতে গেছে তাকে বদলি করে দেয়া হয়েছে। এসময় আদালত বলে, সব কিছুতে প্রধানমন্ত্রীর কেন নির্দেশ দিতে হবে? সেক্রেটারিরা কি তাদের পকেটে ঢুকে গেছে? বন্ধের সময় বদলির আদেশ দিয়েছে। লজ্জাও নাই। প্রধানমন্ত্রী সব কিছুতে ইন্টারফেয়ার করলে এদের থাকার দরকার কী। এ রকম করলেতো যারা সৎ অফিসার তারা নিরুৎসাহিত হয়ে যাবে। যারা বন্ধের দিনে এ কাজ করেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দরকার ছিল।

শুনানিতে আইনজীবী এবিএম আলতাফ হোসেন বলেন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নিজেই বলছে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি হচ্ছে। এটা কিসের ভিত্তিতে বলছে, সে প্রতিবেদনটা দেখা দরকার। এসময় আদালত বলে, সরকারি সংস্থা থাকার পরও বাজারে ভেজাল, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ আছে এবং বিক্রি হচ্ছে। বিদেশে এ বিষয়গুলো শুধু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দেখে। ওষুধের প্যাকেটে মেয়াদের তারিখ এতো ছোট করে দেয়া হয় যা বুঝা যায় না। মনে হয় মাইক্রোস্কোপ দিয়ে দেখতে হবে। এটা প্রপারলি ভিজিবল হওয়া উচিত। সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]