• প্রচ্ছদ » সর্বশেষ » ইউএনএইচসিআরের রিপোর্টমতে,  শরণার্থীদের আশ্রয়দাতা দেশ হিসেবে বিশে^ বাংলাদেশ দ্বিতীয়


ইউএনএইচসিআরের রিপোর্টমতে,  শরণার্থীদের আশ্রয়দাতা দেশ হিসেবে বিশে^ বাংলাদেশ দ্বিতীয়

আমাদের নতুন সময় : 20/06/2019

দেবদুলাল মুন্না : আজ বৃহস্পতিবার বিশ^ শরণার্থী দিবস। শরণার্থীদের অধিকার রক্ষায় জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর প্রতি বছর ২০ জুন দিবসটি পালন করে। বিশে^র বিভিন্ন দেশেও দিবসটি পালিত হয়। ২০০০ সালের ৪ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০০১ সালে থেকে দিবসটি পালিত হচ্ছে। ২০১৭ সালে ২৭ লাখেরও বেশি শরণার্থী নিজ দেশ থেকে অন্য দেশে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। এদের ৮৮ শতাংশই মাত্র তিনটি দেশ দক্ষিণ সুদান, সিরিয়া, মিয়ানমারের। ২০১৮ সালে এ তিনদেশ শরনার্থী হিসেবে পালিয়ে যায় আরও ৫ লাখ মানুষ। তবে শরণার্থীদের আশ্রয়দানকারী দেশের মধ্যে বাংলাদেশ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংখ্যক শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছে। এই প্রতিবেদন জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা- ইউএনএইচসিআর এর। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে বর্তমানে নথিভুক্ত শরণার্থী রয়েছে প্রায় ৭ কোটি মানুষ।

ইউএনএইচসিআর এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, শরণার্থী আশ্রয়দাতা দেশের মধ্যে তুরস্ক নতুন শরণার্থী নিবন্ধনের সংখ্যায় সবচেয়ে বৃহত্তম। দেশটি সিরিয়ার ছয় লাখ ৮১ হাজার অধিবাসীদের অস্থায়ী সুরক্ষা প্রদান করেছিল। তারপরই শরণার্থী সংখ্যার মধ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ বাংলাদেশ। ২০১৭ সালে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে নতুন করে আশ্রয় নেয়া নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা ছয় লাখ ৫৫ হাজার ৫০০। বিশ্ব শরণার্থী দিবসকে সামনে রেখে প্রতি বছরই প্রকাশিত হয় ইউএনএইচসিআর-এর গ্লোবাল ট্রেন্ডস রিপোর্ট। এ বছর প্রকাশিত বাৎসরিক গ্লোবাল ট্রেন্ডস রিপোর্টে বলা হয়, বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রাষ্ট্রহীন এবং উদ্বাস্তু রোহিঙ্গাদের আন্তর্জাতিক সহায়তা প্রয়োজন। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও বাড়ছে উদ্বাস্তÍু সংখ্যা। এর কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিবছর বাংলাদেশে সমুদ্রের পানির উচ্চতা ৮ মিলিমিটার করে বাড়ছে যা বিশ্বের গড় বৃদ্ধির দ্বি-গুণ। ২০৮০ সাল নাগাদ এই অঞ্চলে পানির উচ্চতা ২ ফুট বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাই যদি হয়, তাহলে বাংলাদেশের ৪০ ভাগ এলাকা লবণ পানিতে তলিয়ে যাবে। আর এই ৪০ ভাগ এলাকায় প্রায় ৫ কোটি মানুষের বসবাস। এর ফলে ফসলি জমি নষ্ট হবে, কৃষক-জেলে তাদের পেশা হারাবে। তারা হারাবে তাদের আশ্রয় বা আবাস। বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) সাধারণ সম্পাদক ডা. আব্দুল মতিন বলেন, ‘জলবায়ু উদ্বাস্তÍু কমাতে জীবাশ্ম জ্বালানি কম খরচ করে আমাদের সমগ্র শিল্প কারখানা, পরিবহন, আবাসিক বিদ্যুৎ এগুলো ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ আনতে হবে। এই কাজ এক রাতে হওয়া সম্ভব নয়। তবে এই বিষয়টি সরকারকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। এখনই যদি উদ্যোগ না নেয়া হয় তাহলে আগামী বিশ বছর পর পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।’ সম্পাদনা : ওমর ফারুক

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]