• প্রচ্ছদ » » প্লাস্টিকের বাসন : বিভিন্ন রোগের ডিপো


প্লাস্টিকের বাসন : বিভিন্ন রোগের ডিপো

আমাদের নতুন সময় : 21/06/2019

বাবলু ভট্টাচার্য্য

ফুটপাথের উপর লাল-নীল-হলুদ নানা রঙের প্লাস্টিকের থালা-গøাস-বাটি সাজিয়ে বসেছেন দোকানি। দাম অল্পই। ক্রেতাদের তারা জানাচ্ছেন, শুধু সুন্দর দেখতেই নয়, মাইক্রোওয়েভেও বসাতে পারেন এসব পাত্র। আর তার ফলে দেদার বিকোচ্ছে সস্তার বাসন। তাতেই চিন্তিত ডাক্তাররা। তাদের হুঁশিয়ারি, নিম্নমানের প্লাস্টিকের বাসন মাইক্রোওয়েভে ব্যবহার করলে তা থেকে বাসা বাঁধতে পারে ইনসুলিন প্রতিরোধী ডায়াবেটিসের মতো মারাত্মক রোগ। কেবল এই রোগটিই নয়। চিকিৎসকদের বক্তব্য, পুরনো, রং চটে যাওয়া প্লাস্টিকের পাত্রে খাবার নিয়ে নিয়মিত মাইক্রোওয়েভে যারা গরম করে খান, তাদের বিভিন্ন ধরনের রোগের আশঙ্কা অনেক বেশি। বন্ধ্যত্বের সমস্যা দেখা দিতে পারে। রক্তচাপ বেড়ে যায়। ধাক্কা খেতে পারে শিশুদের বাড়-বৃদ্ধি। আর এর কারণ প্লাস্টিক থেকে নির্গত হয় ‘বিসফেনল এ’ (বিপিএ) নামের এক ধরনের রাসায়নিক যা শরীরের পক্ষে খুবই ক্ষতিকর। দেহের বিভিন্ন ধরনের হরমোনের কাজকর্ম পুরোপুরি গুলিয়ে দেয় রাসায়নিকটি।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, প্লাস্টিক নরম জিনিস। সেটি শক্ত করতে বিপিএ নামের রাসায়নিকটির প্রয়োজন। প্লাস্টিকের বাসনে তাই স্বাভাবিকভাবেই বিপিএ’র ব্যবহার বেশি। এছাড়া ওই রাসায়নিক প্লাস্টিকের পাইপ, সাবান তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। ডাক্তারদের মতে, ওই রাসায়নিকের বেশি প্রভাব পড়ে শিশুদের ওপরে। শুধু মাইক্রোওয়েভে প্লাস্টিকের বাসন ব্যবহার নয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) বহু দিন ধরেই প্লাস্টিকের বোতলে জল খাওয়ারও বিরোধিতা করেছে। হু-র বক্তব্য, বোতলের গা থেকে নিঃসৃত রাসায়নিক জলে মিশে রোগ ছড়াতে পারে। প্লাস্টিকের জলের বোতল ফ্রিজে রাখাটাও ক্ষতিকর। কারণ অতিরিক্ত ঠাÐাতেও রাসায়নিকটি নির্গত হয়। বাজারে বোতলবন্দি যে জল কিনতে পাওয়া যায় অনেকেই সেই বোতল পরবর্তী সময়েও ব্যবহার করেন। সেটাও খুবই ক্ষতিকর। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]