• প্রচ্ছদ » প্রথম পাতা » বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি মামলার তদন্ত শেষ নিউইয়র্কের মামলার ফলের পর চার্জশিট দেয়া হবে


বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি মামলার তদন্ত শেষ নিউইয়র্কের মামলার ফলের পর চার্জশিট দেয়া হবে

আমাদের নতুন সময় : 21/06/2019

বিশ্বজিৎ দত্ত : বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি মামলার তদন্ত শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিআইডির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। তিনি বলেন নিউই্য়র্কে করা বাংলাদেশের মামলার গতিবিধির ওপর নির্ভর করছে এই মামলার চার্জশিট দেয়ার বিষয়। তদন্ত সম্পর্কে তিনি জানান, এই চুরিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা কর্মচারিদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি। তাদের দায়িত্বে অবহেলা রয়েছে। এরজন্য তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বলা হয়েছে। মামলার চার্জশিট  জমা দিতে সিআইডিকে মোট ৫৯ বার সময় দিয়েছে আদালত। সর্বশেষ তারিখ ছিলো জুনের ২ তারিখ।

অন্যদিকে রিজার্ভের অর্থ চুরির ঘটনায় ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশনের (আরসিবিসি) বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের একটি আদালতে চুরি যাওয়া অর্থ ফিরে পেতে এ মামলা দায়ের করা হয়। তিন বছর আগে ঘটা ওই চুরির ঘটনায়, নিউইয়র্ক ফেডে রক্ষিত বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ তহবিল থেকে ৮ কোটি ১০ লাখ ডলারের তহবিল হাতিয়ে নিয়েছিলো অজ্ঞাতনামা হ্যাকাররা।

ম্যানহাটনের ডিস্ট্রিক কোর্টে দায়ের করা ওই মামলায় আরসিবিসি ও প্রতিষ্ঠানটির কয়েক শীর্ষ নির্বাহীসহ আরো বেশ কয়েকজনকে আসামি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কয়েক বছর ধরে সাজানো ‘জটিল পরিকল্পনার’ ভিত্তিতে সংঘটিত অর্থ চুরির ষড়যন্ত্রে সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলায় বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে বলা হয়, অজ্ঞাতনামা দুই উত্তর কোরীয় হ্যাকারের সহায়তায় ওই অর্থ চুরি করা হয়। এজন্য সংশ্লিষ্ট নেটওয়ার্কের ব্যাকডোর এক্সেস পেতে ‘নেস্টএগ’ ও ‘মাকট্রাক’ নামের ম্যালওয়্যার ব্যবহার করা হয়েছিলো।

এতে আরো বলা হয়, ওই অর্থ আরসিবিসির কয়েকটি অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ফিলিপাইনে প্রবেশ করে। সেখানকার কয়েকটি ক্যাসিনোয় প্রবেশের পর থেকে এ অর্থের অধিকাংশের আর কোনো হদিস পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে আরসিবিসির পক্ষে শীর্ষ আইনজীবী তাই-হেং চ্যাং বলেন, এটি আসলে মামলার আড়ালে পিআর ক্যাম্পেইন ছাড়া আর কিছু না। আমরা যতদূর শুনেছি, এ মামলা পুরোপুরি ভিত্তিহীন। যদি বাংলাদেশ ব্যাংক এ অর্থ পুনরুদ্ধারের বিষয়টিতে গুরুত্বই দিতো, তাহলে তিন বছর আগেই তারা তাদের দাবি উত্থাপন করতো। ফিলিপাইন বাংলাদেশ ব্যাংকের নামে এবিষয়ে তাদের আদালতে একটি মানহানীর মামলা করেছে।

উল্লেখ্য, রিজার্ভের অর্থ চুরির সময়ে আরসিবিসির মাকাতি সিটির ওই শাখায় ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালনকারী মায়া দেগুইতোকে এরই মধ্যে ৩২ থেকে ৫৬ বছরের কারাদ- ও প্রায় ১১ কোটি ডলার অর্থদ- দিয়েছেন ফিলিপাইনের এক আদালত। মুদ্রা পাচারে সংশ্লিষ্টতার আটটি অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে চলতি বছরের ১০ জানুয়ারি ওই রায় ঘোষণা করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের মামলাটিতেও তাকে আসামি করা হয়েছে। সম্পাদনা : রেজাউল আহসান

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]