• প্রচ্ছদ » আমাদের বাংলাদেশ » কমছে জলাধার গাছপালা, বাড়ছে ইমারত, পাকারাস্তা, যানবাহন এধারা অব্যাহত থাকলে বসবাসযোগ্যতা হারাবে রাজধানী ঢাকা


কমছে জলাধার গাছপালা, বাড়ছে ইমারত, পাকারাস্তা, যানবাহন এধারা অব্যাহত থাকলে বসবাসযোগ্যতা হারাবে রাজধানী ঢাকা

আমাদের নতুন সময় : 25/06/2019

মতিনুজ্জামান মিটু : বাড়ছে ইমারত, পাকা রাস্তা যানবাহন ও এসি এবং কমছে জলাধার ও গাছপালা। এধারা বজায় থাকলে বসবাসের অযোগ্য হয়ে যাবে রাজধানী ঢাকা। বুয়েটের প্রফেসর কামাল উদ্দিনের গবেষণার বরাতে শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক বললেন, ১৯৮৯ সালের ১৫% থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত ঢাকা মহানগরের ৩৭% জমিতে  ইমারত নির্মাণ হয়। এসময় কালে মহানগরের জলাধারের জমি ২৭% থেকে ৯% এবং গাছপালা ২০ভাগ থেকে কমে ৮% হয়। ১৯৮৯ সাল থেকে এযাবত মহনগরের তাপমাত্রা বেড়েই চলেছে। ১৯৮৯ সালে এখানে তাপমাত্রা ছিলো ১৮ থেকে ২১ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড। যা ২০০৯ সালে হয় ২৪ থেকে ৩০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড। বর্তমানে এখানকার তাপমাত্রা আরও ২ভাগ বাড়তে পারে।

যদিও ২০০৯ সাল থেকে এযাবতের আর কোনো গবেষণা লব্ধ হিসেব নেই তবুও বলা যায় বর্তমানে মহানগরের ৬০% জমিতে কনক্রিটের স্টাকচার ও মাত্র ৬ভাগ জমিতে গাছপালা রয়েছে। আরো কমেছে জলাধারও। এধারা অব্যহত থাকলে ২০৩০-৪০ সালে রাজধানীতে ইমারত, পাকা রাস্তা, যানবাহন ও এসি আরো বেড়ে যাবে, বাড়বে তাপমাত্রাও। এতে বসবাসযোগ্যতা হারাবে রাজধানী ঢাকা।

গবেষণায় দ্রুত এবং অধিক নগরায়ণ, জনসংখ্যা, যানবাহন ও বায়ু দুষণকে তাপমাত্রা বৃদ্ধির জন্য দায়ী করা হয়েছে। গাছপালার অভাবও এখানকার তাপমাত্রাকে ক্রমাগত বাড়িয়ে তুলেছে। এই পরিস্থিতি থেকে বাঁচতে বাড়ির ছাদই উপযুক্ত জায়গা যেখানে পরিকল্পিতভাবে বাগান তৈরীর মাধ্যমে খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তাসহ পরিবেশ সংরক্ষণ করা সম্ভব।

এসি ব্যবহার করে ঠান্ডা করতে যেয়ে মহানগর আরও গরম হয়ে যাচ্ছে। ঠিক কত সংখ্যাক এসি ব্যবহার হচ্ছে তার কোনো হিসেব না থাকলেও এর ব্যবহার নিয়ত বাড়ছে। এতে ঘর ও গাড়ির মধ্যের গরম কমলেও বাড়ছে ঢাকা মহানগরের তাপমাত্র।  সম্পাদনা : ওমর ফারুক




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]