বিবিএসের রিপোর্ট মতে তাঁতশিল্পে শ্রমশক্তি কমছে

আমাদের নতুন সময় : 29/06/2019

দেবদুলাল মুন্না : যতোদিন যাচ্ছে ততোই তাঁতশিল্পে শ্রমশক্তি কমছে। বর্তমানে দেশজুড়ে আছে ১ লাখ ১৬ হাজার ১১৭টি তাঁত ইউনিট। ২০০৩ সালে এ সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫১২। অর্থাৎ এই সময়ে ইউনিট সংখ্যা কমেছে ৬৭ হাজার ৩৯৫টি। পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের আওতাধীন বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ‘তাঁতশুমারি ২০১৮’-এর চুড়ান্ত রিপোর্টে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী ১৯৯০ সাল থেকেই কমছে তাঁত ইউনিট ও জনবল সংখ্যা। বর্তমানে তাঁত ইউনিটে মাত্র ৩ লাখ ১৬ হাজার ৩১৫ জন কর্মরত। ২০০৩ সালে এই সংখ্যা ছিল ৮ লাখ ৮৮ হাজার ১১৫ ও ১৯৯০ সালে ১০ লাখ ২৭ হাজার ৪০৭জন শ্রমিক কর্মরত ছিলো। রিপোর্টে এ শিল্পের শ্রমশক্তি কমার কারণ হিসেবে তাঁত ইউনিটে কম আয়, হস্তশিল্প থেকে যান্ত্রিক শিল্পের পরিবর্তন, পর্যাপ্ত মূলধনের অভাব, বাজারজাতকরণ সমস্যাসহ নানা কারণকে তুলে ধরা হয়। তাঁতশুমারি প্রকল্পের পরিচালক মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, বিবিএস দেশব্যাপী ১৯৯০ ও ২০০৩ সালে প্রথম ও দ্বিতীয় তাঁতশুমারি পরিচালনা করে। সরকার গত বছর তৃতীয়বারের মতো তাঁতশুমারি পরিচালনা করে। এরই পর্যায়ক্রমে এ রিপোর্ট। এর প্রধান অংশীজন বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড  এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়। বিবিএসের রিপোর্টে দেখা গেছে, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলায় তাঁত শিল্পে নারীশ্রমিকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। পার্বত্য চট্রগ্রাম ছাড়া দেশের অন্যান্য সব জায়গাকেই শ্রমশক্তি কমছে।  সম্পাদনা : আবদুল অদুদ




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]