• প্রচ্ছদ » বিনোদন » ডিজিটালযুগে ৩৫ মিলিমিটারে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের উদ্যোগ


ডিজিটালযুগে ৩৫ মিলিমিটারে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের উদ্যোগ

আমাদের নতুন সময় : 02/07/2019

ইমরুল শাহেদ : আশরাফ মোস্তফা নামের একজন নির্মাতা ৩৫ মিলিমিটারে একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন। ডিজিটাল যুগের এ সময়ে তার উদ্যোগটি বিস্ময় সৃষ্টি করার মতোই। চিত্রগ্রাহক মাহফুজুর রহমান খান ৩৫ মিলিমিটারের এই ছবিটির চিত্রগ্রহণ করবেন। এ ব্যাপারে তারা এফডিসির সঙ্গে কথা বলছেন। এফডিসির কালার ল্যাব এবং এফডিসির ৩৫ মিলিমিটারের যন্ত্রপাতি যখন প্রায় শূন্যের কোঠায় পৌঁছে গেছে তখন উদ্যোগটিকে সাহসী পদক্ষেপই বলতে হবে। তারা এই ছবির নেগেটিভ পাবেন কোথায়, ডেভেলপ করবেন কোথায় এবং প্রিন্টই বা কোথায় করবেন জানতে চাওয়া হলে মাহফুজুর রহমান খান বলেন, সব ঠিকঠাক করেই কাজ শুরু করা হবে। পথ নিশ্চয়ই একটা পাওয়া যাবে। ফেসবুকে তিনি একটি স্ট্যাটাস দেখেছেন। তাতে ফিল্মের ডেপথ অব ফিল্ড নিয়ে কথা তোলা হয়েছে। সেই প্রশ্নে অনুপ্রণারিত হয়েই নতুনভাবে চেষ্টা করা।
বিশ্বজুড়ে ডিজিটালের প্রসার হওয়ার কারণে ফিল্ম নেগেটিভ উৎপাদক কোম্পানিগুলো ফিল্ম উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে। ফুজি, ইস্টম্যান কালার, কোডাক এখন আর ফিল্ম উৎপাদন করে না। বিভিন্ন শ্রেণির ফিল্ম নেগেটিভের মধ্যে কেবল ফুজিই ছিলো এদেশের আবহাওয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। সে সব ছেড়ে নির্মাতারা বাধ্য হয়েছেন ডিজিটাল পদ্ধতির দিকে মুখ ফেরাতে। এফডিসিতে স্টক হয়ে থাকা ফিল্ম নেগেটিভ এবং পজিটিভ নষ্ট হয়ে গেছে বলে জানা গেছে। এই নিয়ে আসলে সংস্থাটির কিছু করণীয়ও নেই। প্রযুক্তির রাতারাতি পরিবর্তনে আকস্মিকভাবে চলমান পদ্ধতি প্রচÐ ধাক্কা খায় এবং পরে পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বদলে যায় সব কিছু।
ঢাকার চলচ্চিত্রে যখন ডিজিটাল পদ্ধতি চালু হয় তখনো কোনো চলচ্চিত্র নির্মাতা এ বিষয় সম্পর্কে অভিজ্ঞ ছিলেন না। বিকল্প হিসেবে অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের কোনো সুযোগও ছিলো না। এই পদ্ধতি সম্পর্কে জানা ছিল কেবল নাটক নির্মাতাদের। পরিচালক মোর্শেদুল ইসলামের একটি ভিডিও ছবি সেন্সর ছাড়পত্র পাওয়ার পর সেন্সরে হঠাৎ করেই অনেকগুলো ভিডিও ছবি জমা হয়। অর্থাৎ এক ঘণ্টার নাটক বা টেলিফিল্মগুলোকে চলচ্চিত্র আখ্যা দিয়ে সেন্সরে জমা পড়ে। এসব ছবিগুলো যখন মুক্তি পেতে শুরু করে তখনই চলচ্চিত্রে বিপর্যয় শুরু হয়। এ সময় একটা ¯েøাগান ওঠে ঢাকার ছবি চলে না। আসলে কি তাই? সিনেমা দর্শকের সামনে যখন নাটকগুলোকে সিনেমা বলে হাজির করা হয় তখনই দর্শক সিনেমা হল থেকে সরে যেতে শুরু করেন। পরিচালক সমিতিও তাদেরকে সহকর্মীর মর্যাদা দিয়ে কাছে টেনে নেন। এই পরিস্থিতিতে চলচ্চিত্র যেদিকেই মোড় নিক না কেন, চলচ্চিত্র আত্মশক্তিতেই টিকে থাকবে। ডিজিটাল নিয়েই সকলকে থাকতে হবে, ৩৫ মিলিমিটার কখনো ফিচার বা স্বল্পদৈর্ঘ্য কোনো আঙ্গিকেই ফিরে আসবে না। চলচ্চিত্রের সামগ্রিক চালচিত্রই বিশ্বময় বদলে গেছে।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]