• প্রচ্ছদ » » জয়ের সম্ভাবনা জাগিয়েও বারবার আমরা কেন হারছি?


জয়ের সম্ভাবনা জাগিয়েও বারবার আমরা কেন হারছি?

আমাদের নতুন সময় : 04/07/2019

আতিক খান

তীরে এসে তরী ডুবলো। অবশ্য আগাগোড়াই মনে হচ্ছিলো অল্পের জন্য হারবো। জেতার মতো পজিশনে কখনোই ছিলাম না, আবার হেরেও যাইনি। আশার আলো টিমটিম করে জ্বলছিলো ৪৮ ওভার পর্যন্ত। একটা ছেলে আর কতো করবে? জীবন দিয়ে দেবে? ৭ ম্যাচে ৯৮ স্ট্রাইক রেটে, ৯০.৩ গড়ে ৫৪২ রান, সর্বোচ্চ রান করা রোহিত শর্মা হতে মাত্র ২ রান কম। ৭ ম্যাচে ৬টা ৫০+ স্কোর। টুর্নামেন্টের এই পর্যন্ত সর্বোচ্চ বাউন্ডারি সাকিবের, ৫৪টা। সঙ্গে উইকেট আছে ১১টা। আজও ৩১৪ করা উইকেটে রান দিয়েছে মাত্র ৪১। বিশ্বকাপের সেরা প্লেয়ার ট্রফি পাওয়া না পাওয়ায় কিছু যায় আসে না। এটা সাকিবেরই বিশ্বকাপ। দুর্ভাগ্য সাকিব এমন দলে খেলে যেখানে এক ম্যাচে ২-৩ জনের বেশি পারফর্ম করে না? অথচ এ ধনের প্রেসার গেমে কয়েকজন জ্বলে না উঠলে ভারতের মতো দলকে হারানো কঠিন। শুরু হতেই ভাগ্যটা সঙ্গে নেই। রিয়াদ ফিটনেস টেস্টে ফেল করলো। ভাঙা, ব্যবহৃত পিচে টস জিতে ব্যাটিং মাস্ট ছিলো, হারলাম। আর শুরুতেই সেঞ্চুরি করা রোহিতকে ফেলে দিলো তামিম। আর অনেকগুলো আউটই হয়েছে হাস্যকরভাবে। উইকেটের বাইরে হতে স্ট্যাম্পে টেনে এনেছে নইলে ক্যাচ প্র্যাক্টিস। সৌম্য ৭ ম্যাচ খেলে একটা ফিফটি নেই, গড় ২০। তামিমের স্ট্রাইক রেট ২১৫+ রান করা ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সর্বনি¤œ, ৭৩। আর মাশরাফি নাকি বলেছেন, আপাতত রিটায়ার করবেন না। ব্যাটিং পুরোটাই শূন্য মাশরাফির বোলিং ফর্মও তলানিতে, ৭ ম্যাচে মাত্র ১ উইকেট। পাকিস্তানের সঙ্গে রিটায়ার করে সসম্মানে বিদায় নিক, সাকিবের ক্যাপ্টেন্সিতে নতুন করে দল গঠিত হোক। এমপি হয়েছেন যখন, জনগণের সেবা করুন অন্যভাবে।
দুজনের জন্য মায়া লাগছে। শুরুর অর্ধেকে হেরে যাওয়া ম্যাচটাকে টেনে ধরে রেখেছিলো মুস্তাফিজের দুর্দান্ত বোলিং, দারুণ সব ¯েøায়ার আর কাটারে পাওয়া ৫ উইকেট। আর সবার আসা যাওয়ার মিছিলের মধ্যে বুক চিতিয়ে মশাল হাতে দাঁড়িয়ে যাওয়া সাইফুদ্দিন। ৩৮ বলে ৫১ করে উইকেটের অন্যপ্রান্তে দাঁড়িয়ে রইলেন বেচারা। সাব্বির-সাইফুদ্দিন জুটি আর ৫ ওভার টিকে গেলেই হতো? বাকিরা সবাই ২০-২৫ করেই দায়িত্ব শেষ করেছে? পাকিস্তানের সঙ্গে জিতে ঘরে ফিরলেও বিশ্বকাপ ভালো গিয়েছে বলতে হবে। ইংল্যান্ড ছাড়া বাকি ম্যাচগুলোতে জয়ের সম্ভাবনা জাগিয়ে হেরেছি। অনেকগুলো ভালো মুহূর্ত উপহারও দিয়েছে ছেলেরা। ম্যাচগুলো উপভোগ্য ছিলো। আর চোখ বুজে সাকিবের পারফরমেন্সগুলো স্মরণ করলেই তো হয়। বিশ্বকাপ পারফরমেন্সে সবার উপরে একটা বাংলাদেশি ছেলে। এর চেয়ে ভালো অলরাউন্ড পারফরমেন্স আগে কোনো বিশ্বকাপে কেউ কখনো দেখেনি। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]