• প্রচ্ছদ » আমাদের বাংলাদেশ » ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হওয়ায় দুই জেলার কর্মকর্তাদের ভর্ৎসনা করলে খাদ্যমন্ত্রী গোডাউনে নি¤œমানের চাল সংরক্ষণ করায় সিলগালা করে তদন্তের নির্দেশ


ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হওয়ায় দুই জেলার কর্মকর্তাদের ভর্ৎসনা করলে খাদ্যমন্ত্রী গোডাউনে নি¤œমানের চাল সংরক্ষণ করায় সিলগালা করে তদন্তের নির্দেশ

আমাদের নতুন সময় : 04/07/2019

আনিস তপন : কাক্সিক্ষত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ধান সংগ্রহ না করায় গাজীপুর ও ময়মনসিংহ খাদ্যগুদাম ও সিএসডির ভারপ্রাপ্ত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। বুধবার সংশ্লিষ্ট জেলা দুটির বিভিন্ন খাদ্যগুদামে আকস্মিক পরিদর্শনকালে ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্র অর্জিত না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কোনো কর্মকর্তার দায়িত্বে অবহেলা বা গাফিলতার কারণে যদি লক্ষ্যমাত্র অর্জিত না হয়ে থাকে, তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে। এসময় আগামী ১০ দিনের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ধান সংগ্রহ করার জন্য কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন মন্ত্রী।
জানাগেছে, এবার বোরো মৌসুমে গাজীপুর জেলার জয়দেবপুর খাদ্যগুদামের জন্য ৯৬৮ মেট্রিক টন ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দেয়া হয়। কিন্তু এ জেলায় সংগ্রহ করা হয়েছে মাত্র ৫১ মেট্রিক টন ধান।
এরপরই খাদ্যমন্ত্রী ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশালের ধানীখোলা খাদ্যগুদাম পরিদর্শন করেন। সেখানে দেখা গেছে, এক হাজার ৫৩৬ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও সংগ্রহ করা হয়েছে মাত্র ১৭০ মেট্রিক টন।
এ দুটি জেলায় ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হওয়ায় সংশ্লিষ্ট খাদ্যগুদামের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপর ক্ষোভ প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, ধান সংগ্রহের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের গাফিলতি কোনো অবস্থাতেই সহ্য করা হবে না। আপনাদের ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই ধানের পরিবর্তে চাল ক্রয় করা যাবে না।
উল্লেখ্য, এর আগে কোনো কারণে ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হলে, তার পরিবর্তে কর্মকর্তারা সমপরিমাণ চাল সংগ্রহ করে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতো।
পরে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার ময়মনসিংহ সদরের কেন্দ্রীয় খাদ্য সংরক্ষণাগার পরিদর্শন করেন। এসময় ২ ও ৪৮নং গোডাউনে চালের মান সন্তোষজনক না হওয়ায় গুদাম ব্যবস্থাপককে ভর্ৎসনা করে সংশ্লিষ্ট গোডাউন দুটি সিলগালা করার নির্দেশ দেন। এ ঘটনায় মন্ত্রী তাৎক্ষণিক খাদ্য অধিদপ্তরের পরিচালকের (প্রশাসন) নেতৃত্বে এক সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন।
কমিটিকে আজ (বৃহস্পতিবার) থেকেই তদন্ত শুরু করার নির্দেশনা দিয়ে তিনি বলেন, আপনারা আগে কে কি করেছেন তা আমি দেখতে চাই না, জানতেও চাই না। এখন থেকে সবাই দায়িত্ব বুঝে কাজ করতে হবে। কেউ দুর্নীতি বা অনিয়মের আশ্রয় নিলে তাকে বিপদে পড়তে হবে। কেউ রেহাই পাবে না।
পরিদর্শনকালে খাদ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) জনাব পরিমল কুমার সরকার, খাদ্যমন্ত্রীর একান্ত সচিব জনাব শহীদুজ্জামান, ঢাকার আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক জামাল হোসেনসহ জেলা দুটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সম্পাদনা : রেজাউল আহসান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]om