• প্রচ্ছদ » » মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে লেখালেখি ঈর্ষাবশত


মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে লেখালেখি ঈর্ষাবশত

আমাদের নতুন সময় : 05/07/2019

বিপ্লব পাল

মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে যা লেখালেখি হচ্ছে তা সম্পূর্ণ ঈর্ষাবশত। আসলে এই পুরুষতান্ত্রিক সমাজ এখনো কোনো মহিলার বুদ্ধিগত উৎকর্ষতা মেনে নিতে রাজি নয়। যদিও মহূয়া মৈত্রের বক্তব্য সম্পূর্ণ ভুলভালই বলবো। কারণ ভারতের সংবিধানে সিবিআই প্রধানমন্ত্রীর, পুলিশ মুখ্যমন্ত্রীর। এই ডিফাংক্ট সংবিধানের জন্য, স্বাধীনতার পর থেকে প্রতিটি নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যেই স্বৈরাচার দেখা যায়। মহুয়া যাকে ফ্যাসিজমের আর্লি সাইন বলছে, তা ভারতে গত সত্তর বছর ধরেই আছে। ইন্দিরার আমলে আরও বেশিই ছিলো। ভারতে রাজনৈতিক রিফর্ম না চেয়ে, শুধু শুধু ফ্যাসিজম বলে চেঁচানো মানে, তিনিও ভারতের ইতিহাস এবং সংবিধান নিয়ে অজ্ঞ। ১৯৭৮ সাল থেকে পুলিশ কমিশন বসিয়ে এই ফ্যাসিজমকে ঠিক করার চেষ্টা হয়েছে দু’বার। ধোপে টেকেনি। ইন্দ্রজিত গুপ্ত শেষবারের মতো চেষ্টা করেছিলেন (১৯৯০)। জ্যোতি বাবু পাত্তাই দেননি। যারা ক্ষমতায় আছেন তারা খুব ভালোই জানেন, তাদের ক্ষমতার উৎস পুলিশ। সুতরাং দিনের শেষ সে টিমসি, সিপিএম বা বিজেপি যেই ফ্যাসিজম নিয়ে ভেউ ভেউ করে কাঁদুন না কেন, এগুলো মেকি কান্না। ভারতের সংবিধান থেকে ফ্যাসিজমের উৎসকে যখনই তুলে ফেলার চেষ্টা হয়েছে, তারাই বাধা দিয়েছেন। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]