মিসরীয়দের বাধার মুখেও ৬০ লাখ ডলারে বিক্রি হলো তুতেনখামেনের ভাস্কর্য

আমাদের নতুন সময় : 06/07/2019

সুস্মিতা সিকদার : মিসরীয়রা বাধা দেয়া সত্ত্বেও তুতেনখামেনের ভাস্কর্য লন্ডনে নিলামে তোলা হয় এবং ৬০ লাখ ডলারে বিক্রি হয়। মিশরীয়রা দাবি করে আসছে ওই ভাস্কর্যটি চুরি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার নিলাম কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ফারাও তুতেনখামেনের মতো দেখতে ভাস্কর্যটি ব্রিটেনের ক্রিস্টিস হাউজ বিক্রি করে। তবে ওই ভাস্কর্যের ক্রেতার নাম এখনও জানা যায়নি। ভাস্কর্যটি বিক্রি করা নিয়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। মিসরীয় কর্তৃপক্ষ নিলাম বন্ধ করে ভাস্কর্যটি কায়রোকে ফেরত দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে। সিএনএন
গত জুনমাসে মিসরের পুরাতত্ত্ব মন্ত্রণালয় ক্রিস্টিস ও ইউনেস্কোর কাছে নিলাম বাতিলের অনুরোধ জানায় এবং ভাস্কর্যটির উৎস সম্পর্কে তথ্য জানতে চায়। লন্ডনে মিসরের রাষ্ট্রদূত ভাস্কর্য ফেরত দিতে আহ্বান জানায়। বুধবার লন্ডনের রাষ্ট্রদূত জানায়, ভাস্কর্যটি নিলামে তোলা খুবই দুঃখজনক ব্যাপার।
ক্রিস্টিস জানিয়েছে, ভাস্কর্যটি বালক রাজার তুতেনখামেনের একটি উল্লেখযোগ্য নিদর্শণ।
তুতেনখামেন ছিলেন মিসরীয় অষ্টাদশ রাজবংশের ফারাও। তিনি ৯ বছর বয়সে রাজা হন এবং ১৯ বছর বয়স পর্যন্ত রাজা ছিলেন। এরপর তিনি মারা যান। তার রাজত্বের সময়কাল ১৩৩৩ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ। তুতেনখামেনের সমাধিক্ষেত্রটি নীল নদের তীরে লুক্সোর এলাকায় আবিস্কৃত হয়। যেখানে রয়েছে লাখ লাখ আকর্ষণীয় পবিত্র স্মৃতিচিহ্ন এবং শিল্পকর্ম।
ক্রিস্টিস জানিয়েছে, তুতেনখামেনের ভাস্কর্যটি প্রদর্শন করা হলেও এর আগে মিসরীয় কর্তৃপক্ষ কোন রকম উদ্বেগ প্রকাশ করেনি। তারা জানিয়েছে, ১৯৮৫ সালে ভাস্কর্যটি পায় মিউনিখ ভিক্তিক এক ব্যবসায়ির হেইনজ হারজারের কাছ থেকে।
মিসরের প্রত্মতত্ত্ব মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী বলেন, এটি প্রতœতত্ত্বের জন্য একটি কালো দিবস। কারণ তুতেনখামেন হচ্ছে রাজাদের রাজা। সারা বিশ্ব এঘটনায় উদ্বিগ্ন। কারণ ভাস্কর্যটি নিলামে তোলার প্রশ্নে কোন রকম নৈতিকতার বহিঃপ্রকাশ ঘটেনি। সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]