• প্রচ্ছদ » » মাটি কখনো মানুষের রক্তের হিসাব চাইলে কোন্ অজুহাত দেখাবো আমরা?


মাটি কখনো মানুষের রক্তের হিসাব চাইলে কোন্ অজুহাত দেখাবো আমরা?

আমাদের নতুন সময় : 07/07/2019

পিয়ার খান

শিক্ষক হলে মানুষ পড়াবে। গায়ক হলে গান গাইবে। ডাক্তার হলে রোগী দেখবে। সরকারে গেলে দেশের উন্নয়ন করবে। এটাই তো স্বাভাবিক নিয়ম। সুতরাং উন্নয়ন বিষয়টা সরকারের এক্সট্রা অর্ডিনারি কোনো সফলতা নয় যাতে তাকে বাহবা দিতে হয়। তবুও বিগত সরকারগুলোর চেয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের কিছু উন্নয়নমুখী সাহসী অবদান বাহবা দিতে বাধ্য করছে। নিয়মিত সেই বাহবা দিয়েছিও আমরা। সরকারের কাছে এই মুহুর্তে আমাদের চাওয়া-পাওয়া খুব বেশি নয়। আগের মানুষজন নলক‚প চেয়েছে, ডাকঘর চেয়েছে, বাড়ির পাশে বাসস্ট্যান্ডও চেয়েছে। এগুলো এখন আর চায় না মানুষ। ওয়াসার দূষিত পানিই ফুটিয়ে খেয়ে ফেলে না হয় কিনে খায়। চিঠির দিকে যায় না এসএমএস করে দেয়। বাড়ির পাশে বাসস্ট্যান্ডও লাগে না, রিকশা করেই বাসস্ট্যান্ডে চলে যায় না হয় উবার, পাঠাও ডেকে আনে। মানুষের চাওয়া এখন সীমিত। হাতেগোনা কয়েকটা মাত্র। ১. ভিআইপিরা বেশি সময় রাস্তা বন্ধ করে না রাখুক। ২. খেলার সময় বিদ্যুৎ না যাক। ৩. রডের বদলে বাঁশ না দিক। ৪. হত্যার বিচার হোক। অপরাধের বিচার হোক। সব হয়, হত্যার বিচার হয় না। প্রকাশ্যে মেরে ফেলার বিচার হয় না। আমি জানি না, অস্ত্র হাতে নেয়া সন্ত্রাসী কেন এতো ক্ষমতাধর হয়ে ওঠে? আমি জানি না, অস্ত্র হাতে নেয়া সন্ত্রাসীকে বাঁচানোর কি প্রয়োজন প্রভাবশালীদের? আমি জানি না, আজ যে হত্যার বর্বরতম ভিডিও দেখলাম তার বিচার হবে কিনা। শুধু জানি মানুষের চোখের পানি মাটিতে বেশি পড়লেও ক্ষতি নেই। মানুষের গায়ের ঘাম মাটিতে পড়লেও ক্ষতি হবে না। পড়তেই পারে। কিন্তু রক্ত মাটিতে পড়ার বিষয় নয়। মাটি কখনো মানুষের রক্তের হিসাব চাইলে কোন অজুহাত দেখাবো আমরা। বিষয়টা ভাবা দরকার। অনেক হয়েছে এবার বরং বদলে যাই। বিচার করে বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে জাতিকে মুক্ত করি। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]